সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: প্রায় তিন মাস তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড থাকার পর মাল পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন স্বপন সাহা। অন্যদিকে, মাল পুরসভার চেয়ারম্যান পদে দলের নির্দেশে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ীকে বহাল করা হল। পাশাপাশি মাল পুরসভার সিনিয়র দলীয় কাউন্সিলার নারায়ণ দাসকে মাল পুরসভার দলনেতা ঘোষণা করা হল। বৃহস্পতিবার বিকেলে লাটাগুড়িতে তৃণমূলের জেলা সভাপতির অফিসে পুরসভার ১৩ জন দলীয় কাউন্সিলারকে নিয়ে বৈঠক করেন সভানেত্রী মহুয়া গোপ।
Advertisement
মাল পুরসভার পদত্যাগী চেয়ারম্যান স্বপন সাহার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে তদন্তে নামে। তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়তেই রাজ্য তৃণমূলের নির্দেশে জেলা তৃণমূল স্বপন সাহাকে দল থেকে সাসপেন্ড করে। সেপ্টেম্বর মাসে সাসপেন্ড করা হলেও চেয়ারম্যান পদ আঁকড়ে ছিলেন স্বপন। এতে মাল পুরসভা পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
এদিন লাটাগুড়িতে দলের জেলা চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায়, মন্ত্রী বুলুচিক বরাইক, যুব তৃণমূল সভাপতি সন্দীপ ছেত্রী, মাল টাউন তৃণমূল সভাপতি অমিত দে ও মাল গ্রামীণ ব্লক সভাপতি সুশীলকুমার প্রসাদ এবং ১৩ জন দলীয় কাউন্সিলারকে নিয়ে বৈঠক করেন মহুয়া গোপ। বৈঠক শেষ করে মহুয়া বলেন, মাল পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে দল আগেই সাসপেন্ড করেছে। কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান পদ আঁকড়ে ছিলেন। এবার পদত্যাগ করেছেন বলে শুনেছি। তবে আমরা ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ীকে চেয়ারম্যান পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাল পুরসভার দলনেতা করা হয়েছে নারায়ণ দাসকে। স্বপন সাহা পদত্যাগ না করলে অনাস্থা এনে তাঁকে সরতে বাধ্য করা হতো।
এদিকে, লাটাগুড়ির বৈঠকে উৎপল ভাদুড়ীকে চেয়ারম্যান করার খবর পেতেই সংবাদমাধ্যমকে ডেকে নিজের পদত্যাগের খবর জানিয়ে দেন স্বপনবাবু। তিনি বলেন, দলের নির্দেশে চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমার পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিএম’কে পাঠিয়ে দিয়েছি। অন্যদিকে, উৎপল ভাদুড়ী বলেন, এখন পুর নাগরিকদের প্রতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়ল। সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা দেওয়াই প্রধান লক্ষ্য হবে। তবে ভাইস চেয়ারম্যান কাকে করা হবে তা দলীয় কাউন্সিলাররা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলা সভানেত্রীকে জানিয়ে দেবেন। তারপর বলা যাবে কে ওই পদে বসছেন।
এদিন লাটাগুড়িতে দলের জেলা চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায়, মন্ত্রী বুলুচিক বরাইক, যুব তৃণমূল সভাপতি সন্দীপ ছেত্রী, মাল টাউন তৃণমূল সভাপতি অমিত দে ও মাল গ্রামীণ ব্লক সভাপতি সুশীলকুমার প্রসাদ এবং ১৩ জন দলীয় কাউন্সিলারকে নিয়ে বৈঠক করেন মহুয়া গোপ। বৈঠক শেষ করে মহুয়া বলেন, মাল পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহাকে দল আগেই সাসপেন্ড করেছে। কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান পদ আঁকড়ে ছিলেন। এবার পদত্যাগ করেছেন বলে শুনেছি। তবে আমরা ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ীকে চেয়ারম্যান পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাল পুরসভার দলনেতা করা হয়েছে নারায়ণ দাসকে। স্বপন সাহা পদত্যাগ না করলে অনাস্থা এনে তাঁকে সরতে বাধ্য করা হতো।
এদিকে, লাটাগুড়ির বৈঠকে উৎপল ভাদুড়ীকে চেয়ারম্যান করার খবর পেতেই সংবাদমাধ্যমকে ডেকে নিজের পদত্যাগের খবর জানিয়ে দেন স্বপনবাবু। তিনি বলেন, দলের নির্দেশে চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমার পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিএম’কে পাঠিয়ে দিয়েছি। অন্যদিকে, উৎপল ভাদুড়ী বলেন, এখন পুর নাগরিকদের প্রতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়ল। সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা দেওয়াই প্রধান লক্ষ্য হবে। তবে ভাইস চেয়ারম্যান কাকে করা হবে তা দলীয় কাউন্সিলাররা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলা সভানেত্রীকে জানিয়ে দেবেন। তারপর বলা যাবে কে ওই পদে বসছেন।



