Bartaman Logo
১৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চার সিনিয়র চিকিৎসক ও কুণাল সাহার বিরুদ্ধে থানায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল

চার সিনিয়র চিকিৎসক ও কুণাল সাহার বিরুদ্ধে থানায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল (ডব্লুবিএমসি) অফিসের আশপাশে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে চার সিনিয়র চিকিৎসক ও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার ডাঃ কুণাল সাহার বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হল। চার চিকিৎসক হলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের সার্জারির প্রধান ডাঃ মানস গুমটা, পূর্ব বধমান জেলার উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (২) ডাঃ সুবর্ণ গোস্বামী এবং বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের মনরোগ বিভাগের প্রধান ডাঃ রঞ্জন ভট্টাচার্য। 
Advertisement
কী লেখা রয়েছে সেই অভিযোগপত্রে? কাউন্সিলের রেজিস্টার মানস চক্রবর্তীর সই করা সেই অভিযোগপত্রে এই চার চিকিৎসককে ‘উদ্ধত’ এবং ‘বিপজ্জনক’ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কাজের সময় এঁদের নেতৃত্বে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল অফিসের সামনে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই চারজনের উদ্দেশ্য‌ ‘অসৎ’ বলেও দাবি করা হয়েছে অভিযোগপত্রে। তারা আরও দাবি করেছে, ২ ডিসেম্বর কাউন্সিলের সাধারণ সভা ছিল। সেদিনও কাউন্সিলের কাজকর্ম পণ্ড করতে এঁরা গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেন। অভিযোগ সম্পর্কে ডাঃ গুমটা বলেন, ‘এক্ষেত্রে আমাদের স্বতন্ত্র কোনও বিবৃতি নেই। যৌথ বিবৃতিই আমাদের বিবৃতি। সেখানে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের উপর শাস্তির খাঁড়া নামিয়ে কোনও লাভ হবে না। সাধারণ মানুষের আন্দোলন জারি থাকবে। তাছাড়া যিনি চিঠিটা পাঠিয়েছেন, সেই রেজিস্টারই তো বেআইনিভাবে পদে বসে আছেন।’  
অধ্যাপক রঞ্জনবাবু বলেন, ‘রাজ্য ঩মেডিক্যাল কাউন্সিলের কাজকর্মে বাধা দেওয়া দূরের কথা, খুব প্রয়োজন ছাড়া কাঊন্সিল অফিসেও যাইনি। কেন এই জাতীয় অভিযোগ করা হল, বিষয়টি আমার কাছে রহস্যময় লাগছে।’ কুণালবাবু বলেন, ‘পুলিসের অনুমতি নিয়েই কর্মসূচি করা হয়েছিল।’ সূত্রের খবর, কাউন্সিল কর্তারা অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, কাউন্সিল চত্বরে শান্তিশৃঙ্খলার বাতাবরণ রাখতেই এই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্য‌বস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এদিকে পুলিস জানিয়েছে, মেডিক্যাল কাউন্সিলের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। পরে আর কোনও সমস্যা হয়নি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ