ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কান্দি: চার দলের গড়া ‘সংসারে’ ভাঙন। বৃহস্পতিবার আরএসপির পঞ্চায়েত প্রধান ও কংগ্রেসের তিন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে বড়ঞার পাঁচথুপি পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে এল। এলাকার উন্নয়নে শামিল হতেই তৃণমূলে যোগ দিলেন বলে শাসক দলের নবাগতরা দাবি করেছেন। এদিন বিকেলে স্থানীয় ডাকবাংলা গ্রামে তৃণমূলের বড়ঞা ব্লক দক্ষিণ পার্টি অফিসে ওই যোগদান সভা হয়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েতের ২৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১০টি আসন পায়। কংগ্রেস আটটি, বিজেপি তিনটি ও সিপিএম-আরএসপি দু’টি করে আসন পেয়েছিল। পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের আগেই কংগ্রেসের দুই সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তারপরেও চারুট দল একত্রিত হয়ে বোর্ড গঠন করে। পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন আরএসপির কেশবচন্দ্র সাহা। এদিন পঞ্চায়েত প্রধান সহ কংগ্রেসের জাহাঙ্গীর শেখ, কেরিমা বিবি ও আলি মহম্মদ শাসকদলে নাম লেখান।
পার্থপ্রতিমবাবু বলেন, এদিন চার সদস্য দলে যোগ দেওয়ায় পঞ্চায়েতে আমাদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬। আমরা বাকি নয় পঞ্চায়েত সদস্যকেও উন্নয়নে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কথা দিচ্ছি, সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে দল। সকলে মিলে এলাকার উন্নয়ন করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্পগুলিকে আমরা একসঙ্গে রূপায়ণের চেষ্টা করে যাব।
এদিনের যোগদান সভায় হাজির ছিলেন কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম সরকার, বড়ঞা ব্লক তৃণমূল উত্তর সভাপতি গোলাম মুর্শিদ, বড়ঞা ব্লক সহকারী সভাপতি মাহে আলম, কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক, দলের যুব সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ভীষ্মদেব কর্মকার প্রমুখ।
যোগদানকারী আরএসপির পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, রাজ্যের সর্বত্র যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে, সেভাবে নিজের এলাকায় করা যাচ্ছিল না। তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শাসকদলে যোগদান করলাম। আরএসপির বড়ঞা ব্লক লোকাল কমিটির সম্পাদক আনন্দ বাগদি বলেন, কেউ দলত্যাগ করতে চাইলে তাঁকে আমাদের ধরে রাখার ক্ষমতা নেই। এটাকে আমাদের দুর্ভাগ্য ছাড়া কিছুই বলা যায় না। কংগ্রেসের বড়ঞা ব্লক সভাপতি আজাদ মল্লিক বলেন, পঞ্চায়েত প্রধান অনিয়ম করে ফেঁসে গিয়েছিলেন। তাই পিঠ বাঁচাতে সঙ্গীদের নিয়ে শাসকদলে নাম লেখালেন। বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুখেন বাগদি বলেন, পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর দলের নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণেই দলবদলের মতো ঘটনা ঘটছে। আসলে প্রথমে কর্মী, তারপর টিকিট দেওয়ার রেওয়াজ থাকলে দল বদলের ঘটনা ঘটে না।
তৃণমূলের বড়ঞা ব্লকের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, এদিনের যোগদান অনুষ্ঠান আলাদা বিশেষত্ব রাখে। যে পঞ্চায়েত থেকে সদস্যরা আমাদের দলে এলেন, ওই এলাকা শিক্ষা, সংস্কৃতির দিক থেকে অনেক এগিয়ে। তাঁদের যোগদান আমাদের দলের কাছে গর্বের বিষয়।
পার্থপ্রতিমবাবু বলেন, এদিন চার সদস্য দলে যোগ দেওয়ায় পঞ্চায়েতে আমাদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬। আমরা বাকি নয় পঞ্চায়েত সদস্যকেও উন্নয়নে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কথা দিচ্ছি, সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে দল। সকলে মিলে এলাকার উন্নয়ন করাই হবে আমাদের লক্ষ্য। রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্পগুলিকে আমরা একসঙ্গে রূপায়ণের চেষ্টা করে যাব।
এদিনের যোগদান সভায় হাজির ছিলেন কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম সরকার, বড়ঞা ব্লক তৃণমূল উত্তর সভাপতি গোলাম মুর্শিদ, বড়ঞা ব্লক সহকারী সভাপতি মাহে আলম, কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক, দলের যুব সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ভীষ্মদেব কর্মকার প্রমুখ।
যোগদানকারী আরএসপির পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, রাজ্যের সর্বত্র যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে, সেভাবে নিজের এলাকায় করা যাচ্ছিল না। তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শাসকদলে যোগদান করলাম। আরএসপির বড়ঞা ব্লক লোকাল কমিটির সম্পাদক আনন্দ বাগদি বলেন, কেউ দলত্যাগ করতে চাইলে তাঁকে আমাদের ধরে রাখার ক্ষমতা নেই। এটাকে আমাদের দুর্ভাগ্য ছাড়া কিছুই বলা যায় না। কংগ্রেসের বড়ঞা ব্লক সভাপতি আজাদ মল্লিক বলেন, পঞ্চায়েত প্রধান অনিয়ম করে ফেঁসে গিয়েছিলেন। তাই পিঠ বাঁচাতে সঙ্গীদের নিয়ে শাসকদলে নাম লেখালেন। বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুখেন বাগদি বলেন, পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর দলের নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণেই দলবদলের মতো ঘটনা ঘটছে। আসলে প্রথমে কর্মী, তারপর টিকিট দেওয়ার রেওয়াজ থাকলে দল বদলের ঘটনা ঘটে না।
তৃণমূলের বড়ঞা ব্লকের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, এদিনের যোগদান অনুষ্ঠান আলাদা বিশেষত্ব রাখে। যে পঞ্চায়েত থেকে সদস্যরা আমাদের দলে এলেন, ওই এলাকা শিক্ষা, সংস্কৃতির দিক থেকে অনেক এগিয়ে। তাঁদের যোগদান আমাদের দলের কাছে গর্বের বিষয়।



