Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চার বছর পার, সমতাবেড়ে শেষ হল না শরৎ স্মৃতি উদ্যানের কাজ 

চার বছর পার, সমতাবেড়ে শেষ হল না শরৎ স্মৃতি উদ্যানের কাজ 
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও দেউলটির সামতাবেড় গ্রামে এখনও তৈরিই হল না ‘শরৎ স্মৃতি উদ্যান’। শুধু তাই নয়, এই উদ্যানকে কেন্দ্র করে হাওড়া জেলা পরিষদ একটি ভবন তৈরি করেছিল। সেই ভবন এবং প্রস্তাবিত উদ্যান এখন ঝোপঝাড়, জঙ্গল-আগাছায় ভর্তি। কী উদ্দেশ্যে জায়গাটি ঘেরা রাখা হয়েছে বা ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে, তা একপ্রকার ভুলতে বসেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটকরা। হাওড়া জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে দেউলটির সামতাবেড় একটি উল্লেখযোগ্য নাম। এই গ্রামেই কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। জীবনের শেষ বারো বছর তিনি এখানেই কাটিয়েছেন। রূপনারায়ণের তীরে গড়ে ওঠা সেই বাড়ি পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। সেকারণে সারা বছর পর্যটকদের ভিড় জমজমাট থাকে এই পর্যটন কেন্দ্রে। এখানে ঘুরতে আসা শিশুদের কথা মাথায় রেখেই কথাশিল্পীর বাড়ির পাশে একটি শিশু উদ্যান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ঠিক হয়, জেলা পরিষদের টাকায় এই শিশু উদ্যানটি গড়ে তোলা হবে। সেই মতো ২০২০ সালের ১৫ জুলাই শিশু উদ্যানের শিলান্যাস করেন বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন। এরপর এলাকাটিকে পাঁচিল দিয়ে ঘিরে ওই ভবন তৈরি করা হয়। ব্যস, এই পর্যন্তই। তারপর আর উদ্যানও তৈরি হয়নি, ভবনটিও ব্যবহার হয়নি। ফলে চারদিক জঙ্গল-আগাছায় ভরে গিয়েছে। জায়গাটি কেন ঘিরে রাখা হয়েছে, সেটাই ভুলে গিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ভবনটি বন্ধ থাকায় সন্ধ্যার পর তার পাশেই বসে নেশার আসর। অবিলম্বে ওই শিশু উদ্যান তৈরির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। শিশু উদ্যানের কাজ অসমাপ্ত থাকা প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য বলেন, শিশু উদ্যান নির্মাণের দায়িত্ব বাগনান ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিকে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যদি টাকা লাগে তাহলে পঞ্চায়েত সমিতি যেন জেলা পরিষদকে সে কথা জানায়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। আমরা বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।
সম্পর্কিত সংবাদ