নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: রাজ্যের একমাত্র কুমির সংরক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে পাথরপ্রতিমার ভগবতপুরে। অথচ গত চার বছরের উপর বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেটি। সুন্দরবনের দর্শনীয় জায়গাগুলির মধ্যে এটি যথেষ্ট জনপ্রিয়। কিন্তু সেখানে এখন ভগ্নদশার ছবি। কুমির সংরক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরে যে ভবন রয়েছে, তার চাল ভেঙে পড়েছে, ফেন্সিংয়ের হাল খুবই খারাপ। পুকুরগুলিও মজে গিয়েছে। কেন কুমির প্রকল্পের হাল ফেরানো যাচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পর্যটকরা।
Advertisement
২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় উম-পুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল এই প্রকল্পের। তখন থেকেই শ্রীহীন পড়ে এই কুমির সংরক্ষণ কেন্দ্র। সেখানে গিয়ে দেখা গেল, পুরনো টিকিট কাউন্টার বন্ধ রয়েছে। গেটের সামনে ছাগল চড়ে বেড়াচ্ছে। ভিতরে অবশ্য আলাদা করে একটি কাউন্টার খোলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলি আজও সারানো হয়নি। প্রকল্প এলাকায় ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়বে একটি কাঠের ঘর। সেখানে কাচের জারে রাখা রয়েছে কুমিরের ডিম। ওই ঘরের ছাউনি উম-পুনের সময় উড়ে গিয়েছিল। সেটি এখনও সারানো হয়নি। পর্যটকদের বসার জন্য চালা থাকলেও সেখানে কোনও ছাউনি নেই। তাই কেউ বিশ্রামের জন্য আর বসেন না।
প্রতিদিন গড়ে এখনও দেড়শো পর্যটক আসেন এখানে। ভিতরে ঢুকতে গেলে লাগে ৩০ টাকার টিকিট। পর্যটকদের অভিযোগ, টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলেও দেখার মতো তেমন কিছু নেই। গোটা প্রকল্প বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যেসব পুকুরে কুমির আছে, সেগুলি নিয়মিত সাফ করা হয় কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। সূত্রের খবর, ভাঙা ও বেহাল অবস্থায় থাকলেও মানুষের আসা বন্ধ হয়নি। বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি হয় এখানে। প্রকল্পের এই হাল কেন, এই প্রশ্নের উত্তরে পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর জানা বলেন, এই কুমির প্রকল্পকে ঘিরে মিনি জু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি, ২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ এই কুমির সংরক্ষণ কেন্দ্রকে সাজিয়ে তোলা যাবে। বন প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার বক্তব্য, স্থানীয় বিধায়ক বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। পর্যটকদের কাছে কীভাবে এই কুমির প্রকল্পকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।
প্রতিদিন গড়ে এখনও দেড়শো পর্যটক আসেন এখানে। ভিতরে ঢুকতে গেলে লাগে ৩০ টাকার টিকিট। পর্যটকদের অভিযোগ, টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলেও দেখার মতো তেমন কিছু নেই। গোটা প্রকল্প বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যেসব পুকুরে কুমির আছে, সেগুলি নিয়মিত সাফ করা হয় কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। সূত্রের খবর, ভাঙা ও বেহাল অবস্থায় থাকলেও মানুষের আসা বন্ধ হয়নি। বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি হয় এখানে। প্রকল্পের এই হাল কেন, এই প্রশ্নের উত্তরে পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর জানা বলেন, এই কুমির প্রকল্পকে ঘিরে মিনি জু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি, ২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ এই কুমির সংরক্ষণ কেন্দ্রকে সাজিয়ে তোলা যাবে। বন প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার বক্তব্য, স্থানীয় বিধায়ক বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। পর্যটকদের কাছে কীভাবে এই কুমির প্রকল্পকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।



