Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বাড়ি বাড়ি সিলিন্ডার দেন, হেরেও ২০ বছর ধরে ভোটে লড়ছেন ছোটেলাল

সিলিন্ডার এনেছি...। দরজা খুলুন। একটু পরই বাড়ির কর্তার প্রশ্ন - কী ছোটেলাল, এবার ভোটে দাঁড়াবে না? চওড়া হাসি নিয়ে ওপার থেকে উত্তর- দাঁড়াব সাহাবজি। যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন ভোটে লড়ব। নাম ছোটেলাল মাহাত।

বাড়ি বাড়ি সিলিন্ডার দেন, হেরেও ২০ বছর ধরে ভোটে লড়ছেন ছোটেলাল
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
Prefer us on Google

পাটনা: সিলিন্ডার এনেছি...। দরজা খুলুন। একটু পরই বাড়ির কর্তার প্রশ্ন - কী ছোটেলাল, এবার ভোটে দাঁড়াবে না? চওড়া হাসি নিয়ে ওপার থেকে উত্তর- দাঁড়াব সাহাবজি। যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন ভোটে লড়ব। নাম ছোটেলাল মাহাত। বিহার বিধানসভা ভোটের সরগরম বাজারে তাঁকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। হবে নাই বা কেন। লোকসভা, বিধানসভা হোক বা স্থানীয় নির্বাচন। বিগত ২০ বছর ধরে প্রতিবার প্রার্থী হয়েছেন তিনি। স্বপ্ন দেখেছেন বিধায়ক, সাংসদ হওয়ার। কিন্তু প্রতিবারই হারের মুখ দেখতে হয়েছে। তা বলে হাল ছাড়েননি। এবারও জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন কিষানগঞ্জের গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী ছোটেলাল।

Advertisement

কিষানগঞ্জের একটি ছোট্ট বাড়িতে থাকেন ছোটেলাল। সিলিন্ডার ডেলিভারি করেই পেট চলে। তখন ২৩ বছর বয়স। ২০০০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। কিন্তু বয়সসীমার জেরে বাতিল হয়ে যায় মনোনয়ন। পরের দিকে পুরসভা, বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে শুরু করেন। দু’দশকের কেরিয়ারে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ তাসলিমুদ্দিন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেনের বিরুদ্ধেও প্রার্থী হয়েছেন। আর এই যাত্রায় পাশে থেকেছেন ছোটেলালের স্ত্রীও। ছাগল, মুরগি, ডিম বিক্রি করে যে টাকা পান, প্রতিবার তা স্বামীর ভোটপ্রচারে খরচ করেন। ছোটেলালের কথায়, ‘২০০৪ সাল থেকে লাগাতার ভোটে লড়ছি। কিন্তু এখনও জিততে পারিনি। এবারও নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছি। শুরু থেকেই মানুষের সমর্থন পেয়েছি। অনেকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন। আসলে লোকে আমার মতো নেতা চায়। তাই এবার জিতব। জনগণই আমায় জেতাবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ