ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: ভোল বদলাচ্ছে কাশ্মীরের শতাব্দী প্রাচীন ‘হামাম’। কড়া শীতের মোকাবিলা করতে এই ‘হামাম’ ভূস্বর্গের বাসিন্দাদের লাইফলাইন। কিন্তু, চুনাপাথরের অত্যাধিক দামের কারণে এই হামামকে এতদিন বিলাসিতা হিসেবেই দেখত আম জনতা। এবার সেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। এসেছে বিকল্প। স্থানীয়রা এখন চুনাপাথরের বদলে ইটের হামাম তৈরির দিকে ঝুঁকছে।
Advertisement
মোগল শাসকদের দান এই ‘হামাম’ হল হাতে খোদাই করা আয়তক্ষেত্রাকার মোটা চুনাপাথরের ঘর। ফাঁপা মেঝের নীচে কাঠের আগুন জ্বালানো হয়। যার ফলে ঘরের ভিতরে পরিবেশ থাকে গরম। বাইরের হাড়কাঁপানো ঠান্ডা কোনও প্রভাবই ফেলতে পারে না সেখানে। বর্তমানে এই চুনাপাথরের পরিবর্তে ইট ব্যবহার হচ্ছে। ইটের হামাম তৈরির কারিগর বান্দিপোরার আশিক আহমেদ ভাটের কথায়, ‘জনমানসে একটা ভ্রান্ত ধারণা ছিল যে, ইটের হামাম টেকসই হয় না। কিন্তু, বাস্তবে মোটেই তা নয়। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা এই ইটের হামাম তৈরি করে আসছি। প্রত্যেক গ্রাহকের কাছ থেকেই ভালো সাড়া পেয়েছি।’ একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘চুনাপাথরের তুলনায় ইটের তৈরি হামাম ৫০ শতাংশ কম খরচে তৈরি করা যায়। চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে বর্তমানে ভূস্বর্গের বিভিন্ন জেলায় এই হামাম তৈরিতে দক্ষ কারিগরের সংখ্যা বাড়ছে।’
‘হামাম’ শিল্পে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এই মিশেল বেশ পছন্দই করছেন ভূস্বর্গের মানুষ। গতবছর এমনই একটি ইটের হামাম তৈরি করেছেন বারামুলার মহম্মদ ইউসুফ খান। তাঁর কথায়, ‘এই ইটের হামাম বেশ ভালো। প্রবল ঠান্ডায় এগুলি যেমন আরামদায়ক, তেমনই বাড়ির সৌন্দর্য বাড়াতেও সক্ষম। ইটের হামামগুলিতে কম কাঠ পোড়াতে হয়। আবার ঐতিহ্যবাহী হামাম-এর তুলনায় এগুলি বেশিক্ষণ গরমও থাকে।’
‘হামাম’ শিল্পে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এই মিশেল বেশ পছন্দই করছেন ভূস্বর্গের মানুষ। গতবছর এমনই একটি ইটের হামাম তৈরি করেছেন বারামুলার মহম্মদ ইউসুফ খান। তাঁর কথায়, ‘এই ইটের হামাম বেশ ভালো। প্রবল ঠান্ডায় এগুলি যেমন আরামদায়ক, তেমনই বাড়ির সৌন্দর্য বাড়াতেও সক্ষম। ইটের হামামগুলিতে কম কাঠ পোড়াতে হয়। আবার ঐতিহ্যবাহী হামাম-এর তুলনায় এগুলি বেশিক্ষণ গরমও থাকে।’



