সংবাদদাতা, ঘাটাল: দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাট-তেঁতুলতলার চন্দ্রেশ্বর খালের উপরের ব্রিজের রেলিং দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। রবিবার রাতে বাইকে ওই ব্রিজ দিয়ে যাওয়ার সময় মা ও মেয়ে খালে পড়ে জখম হলেন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠান। দাসপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, খালের জলে প্রচুর পরিমাণে কচুরিপানা রয়েছে। ফলে কারোর তেমন আঘাত লাগেনি। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
Advertisement
প্রায় পাঁচ দশক আগে চন্দ্রেশ্বর খালের উপর ওই ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছিল। ২০০ ফুট লম্বা ও ৮ ফুট চওড়া ব্রিজটির উপর দিয়ে ওই ব্লকের ভূঁঞ্যাড়া, তেঁতুলতলা, আরিট, বেনাই ও নৈহাটি সহ ১০-১৫টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতেন। ব্রিজটির উপর দিয়ে অটো-টোটো সহ ছোট চার চাকার গাড়িও স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারত। প্রায় ১০-১৫ বছর আগেই ব্রিজটির কিছু জায়গায় রেলিং ভেঙে গিয়েছে। অন্ধকারে অসতর্কতায় প্রায়ই ব্রিজ থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। রবিবার রাতে সেরকমই ঘটনা ঘটেছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। তাঁরা বলেন, স্থানীয় উদ্যোগে কয়েকবার ভাঙা রেলিংয়ের জায়গাগুলি বাঁশ দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছিল। তবে বাঁশের রেলিং বেশিদিন টেকেনি। ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি মাঝরাতে ওই ব্রিজের একাংশ ভেঙে বসে যায়। ফলে পরের দিন ভোর থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ব্রিজ দিয়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। সেজন্য চরম বিপাকে পড়ে যান ওই ব্লকের বাসিন্দারা।
দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ পোড়ে বলেন, ব্রিজটির একটি থাম বসে গিয়ে ওই বিপত্তি হয়েছিল। ব্রিজটি বসে যাওয়ার পর থেকেই ব্রিজ দিয়ে যাতে কেউ যাতায়াত না করে, সেই মর্মে বোর্ডও লাগানো হয়। তবু শর্টকাটে যাতায়াতের জন্য প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই বহু মানুষ ওই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে চলেছেন। রবিবার রাতে ব্রিজ পারাপার করতে গিয়েই একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।
রবিবারের ওই দুর্ঘটনার পর ব্রিজের দু’দিকের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। কিছুটা দূর দিয়ে চাঁইপাট কিংবা গোপীগঞ্জ হয়ে তাঁদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। ওই ব্রিজটির খুবই বেহাল অবস্থা। সংস্কার করে ব্রিজের স্বাস্থ্য ভালো করা সম্ভব হবে না। তাই স্থানীয়দের দাবি, খালের উপর দিয়ে অবিলম্বে যাতায়াতের একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। প্রদীপবাবু জানিয়েছেন, ওখানে ব্রিজ তৈরির বিষয়ে ইতিমধ্যেই সেচদপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সেচদপ্তর দাসপুর-২ ব্লকে ১৫টি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। তারমধ্যে তেঁতুলতলাতেও একটি ব্রিজ তৈরির কথা রয়েছে।
দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ পোড়ে বলেন, ব্রিজটির একটি থাম বসে গিয়ে ওই বিপত্তি হয়েছিল। ব্রিজটি বসে যাওয়ার পর থেকেই ব্রিজ দিয়ে যাতে কেউ যাতায়াত না করে, সেই মর্মে বোর্ডও লাগানো হয়। তবু শর্টকাটে যাতায়াতের জন্য প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করেই বহু মানুষ ওই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে চলেছেন। রবিবার রাতে ব্রিজ পারাপার করতে গিয়েই একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।
রবিবারের ওই দুর্ঘটনার পর ব্রিজের দু’দিকের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। কিছুটা দূর দিয়ে চাঁইপাট কিংবা গোপীগঞ্জ হয়ে তাঁদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। ওই ব্রিজটির খুবই বেহাল অবস্থা। সংস্কার করে ব্রিজের স্বাস্থ্য ভালো করা সম্ভব হবে না। তাই স্থানীয়দের দাবি, খালের উপর দিয়ে অবিলম্বে যাতায়াতের একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। প্রদীপবাবু জানিয়েছেন, ওখানে ব্রিজ তৈরির বিষয়ে ইতিমধ্যেই সেচদপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সেচদপ্তর দাসপুর-২ ব্লকে ১৫টি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। তারমধ্যে তেঁতুলতলাতেও একটি ব্রিজ তৈরির কথা রয়েছে।



