নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি ও বিজেপির অঞ্চল সভাপতি এক টেবিলে বসে সমবায় ভোটে রফা করে ভোটাভুটি এড়িয়ে গেলেন। চণ্ডীপুর ব্লকের ঈশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ঈশ্বরপুর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ওই ঘটনায় গোটা ব্লকে হইচই পড়ে গিয়েছে। সমবায় সমিতিতে মোট আসন সংখ্যা ৬৫টি। তৃণমূল ৩২টি, বিজেপি ৩০টি ও সিপিএম ৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সমবায় সমিতির প্যাডে তিন দলের নেতা রেজ্যুলিউশন করে এভাবে আসন ভাগাভাগি করেছেন। ওই কপি সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। রেজ্যুলিউশন কপিতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুনীল প্রধান, বিজেপির অঞ্চল সভাপতি জয়ন্ত সংগ্রাম প্রমুখ সই করেছেন।
Advertisement
আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি ওই সমবায় সমিতির ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তার আগে তৃণমূল, বিজেপি এবং সিপিএম নেতারা এক টেবিলে বসে আসন ভাগাভাগি সেরে ফেলেছেন। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুনীল প্রধান নিজে ঈশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। কুলুপ বুথ থেকে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য সুনীলবাবু। সেই বুথে সমবায় ভোটে বিজেপিকে ৮টি আসন ছেড়ে তৃণমূলের নিজেদের দখলে ৮টি রেখেছে। এরআগে নন্দীগ্রামের মতো জায়গাতেও সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে আসন সমঝোতার ঘটনা সামনে এসেছিল। এবার চণ্ডীপুর ব্লকের ঈশ্বরপুর সমবায় সমিতিতেও একই ঘটনা ঘটল।
উত্তর ঈশ্বরপুর, গৌরচক, গোমুখা, ডি-কাশিমপুর, কোটালপুর, ও কুলুপ গ্রাম নিয়ে ওই সমবায় সমিতির এরিয়া। প্রতিটি গ্রামে আসন ভাগাভাগি করা হয়েছে। ২৭ ও ২৮জানুয়ারি মনোনয়ন তোলা ও জমা করার দিন ছিল। আসন সমঝোতা করে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চণ্ডীপুর ব্লকের বেশিরভাগ সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। তারপরও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কেন নিজের এলাকায় ভোটাভুটি এড়িয়ে বিজেপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করলেন, তা নিয়ে দলের মধ্যেই প্রশ্ন ওঠছে।
এনিয়ে সুনীলবাবু বলেন, এর আগেও ঈশ্বরপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে ভোট হয়নি। বোর্ড পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক দলের লোকজন একসঙ্গে বসে একটা সমঝোতায় পৌঁছন। এবারও তেমনটাই হয়েছে। আমিও তাতে ছিলাম এবং রেজ্যুলিউশন কপিতে সই করেছি।
বিজেপি নেতা জয়ন্ত সংগ্রাম বলেন, অতীতের মতো এবারও আমরা পরস্পরের মধ্যে আসন ভাগাভাগি করেছি। এরফলে ভোটের খরচও বাঁচানো সম্ভব নয়। তাছাড়া, সমবায় সমিতি পরিচালনায় আগ্রহীদের সামনে রেখে এটা করা হয়েছে। এরমধ্যে রাজনীতি খোঁজা ঠিক নয়।
উত্তর ঈশ্বরপুর, গৌরচক, গোমুখা, ডি-কাশিমপুর, কোটালপুর, ও কুলুপ গ্রাম নিয়ে ওই সমবায় সমিতির এরিয়া। প্রতিটি গ্রামে আসন ভাগাভাগি করা হয়েছে। ২৭ ও ২৮জানুয়ারি মনোনয়ন তোলা ও জমা করার দিন ছিল। আসন সমঝোতা করে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চণ্ডীপুর ব্লকের বেশিরভাগ সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। তারপরও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কেন নিজের এলাকায় ভোটাভুটি এড়িয়ে বিজেপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করলেন, তা নিয়ে দলের মধ্যেই প্রশ্ন ওঠছে।
এনিয়ে সুনীলবাবু বলেন, এর আগেও ঈশ্বরপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে ভোট হয়নি। বোর্ড পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক দলের লোকজন একসঙ্গে বসে একটা সমঝোতায় পৌঁছন। এবারও তেমনটাই হয়েছে। আমিও তাতে ছিলাম এবং রেজ্যুলিউশন কপিতে সই করেছি।
বিজেপি নেতা জয়ন্ত সংগ্রাম বলেন, অতীতের মতো এবারও আমরা পরস্পরের মধ্যে আসন ভাগাভাগি করেছি। এরফলে ভোটের খরচও বাঁচানো সম্ভব নয়। তাছাড়া, সমবায় সমিতি পরিচালনায় আগ্রহীদের সামনে রেখে এটা করা হয়েছে। এরমধ্যে রাজনীতি খোঁজা ঠিক নয়।



