নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: সমাজ মাধ্যমে বিপুল সমালোচনা ও চন্দননগরের নাগরিক মহলের ক্ষোভের জেরে ফেরিঘাটের ভাড়া কমাল পুরসভা। যদিও তারপরেও স্বাভাবিকের থেকে চারা টাকা বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চন্দননগরের পুরকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি জগদ্ধাত্রী পুজো মরশুমের পাঁচদিনের জন্য ফেরির টিকিটের দাম ৯টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫টাকা করে দেওয়া হয়। ফেরিঘাটে রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে ওই টাকা দাবি করে পুরসভা। গত কয়েকদিনে ফেরিঘাট দিয়ে বহু মানুষ চন্দননগরের পুজো দেখতে এসেছেন। কিন্তু বহিরাগতরা তেমন প্রশ্ন না তুললেও স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সমাজমাধ্যমে তীব্র ব্যঙ্গবিদ্রুপ শুরু হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে নতুন করে ভাড়ার তালিকা তৈরি করে ফ্লেক্স ঝোলায় কর্তৃপক্ষ। তাতে দেখা যায়, বর্ধিতভাড়া ২টাকা কমানো হয়েছে। অর্থাৎ ভাড়া করা হয়েছে ১৩টাকা। যদিও তা স্বাভাবিক ভাড়ার থেকে চারটাকা বেশি। এনিয়েও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে পুরসভাকে। পুরসভার দাবি, প্রতিবছরই জগদ্ধাত্রী পুজোর পাঁচদিন ফেরির ভাড়া বাড়ানো হয়। কারণ, সেইসময় সারারাত ফেরি চালু থাকে। পাশাপাশি, ভিড় সামাল দেওয়া ও দিন-রাতের পরিষেবার জন্য অতিরিক্ত কর্মী প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই বাড়তি টাকা নেওয়া হয়। এনিয়ে চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী বলেন, পুজোর সময় সারা দিন ও রাত ফেরি চলে। অতিরিক্ত কর্মীবহর দিতে হয়। তাই ভাড়া বৃদ্ধি করতে হয়। এই বিষয়টি নতুন নয়।



