নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সুতোর কদর নেই। ঘুড়ির বাঁধন শক্ত রাখতে বাজারে ছেয়ে গিয়েছে চীনা মাঞ্জা। সেই মাঞ্জা চলন্ত বাইক আরোহীর গলায় লেগে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্যু না হলেও বাগুইআটি ফ্লাইওভারে গত এক বছরে এমন বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তাই এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। কলকাতার ‘মা’ ফ্লাইওভারের মতোই বাগুইআটি ফ্লাইওভারের দু’ধারেই বসানো হল ফেন্সিং। লম্বা লম্বা লোহারের রেলিংয়ে বাঁধা হয়েছে লোহার তার। যাতে ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে যাতায়াতকারী বাইক আরোহীদের গায়ে ওই মাঞ্জার স্পর্শ না লাগে। পুলিসের দাবি, ফেন্সিং বসানোর পর আর কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।
Advertisement
কলকাতা থেকে বিমানবন্দরগামী ভিআইপি রোডে দমদম পার্ক থেকে বাগুইআটির রঘুনাথপুর পর্যন্ত গিয়েছে এই ফ্লাইওভার। ২০১৫ সালে এই ফ্লাইওভারের উদ্বোধন হয়। এতে ভিআইপি রোডের যানজট যেমন কমেছে, তেমনই কলকাতা বিমানবন্দরে যাতায়াত মসৃণ হয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার গাড়ি এই ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াত করে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর খানেক আগে এক বাইক আরোহী এই ফ্লাইওভারে চীনা মাঞ্জার কবলে পড়েছিলেন। পরে আরও দু’জন একইভাবে দুর্ঘটনার শিকার হন। সবারই গলা কেটে গিয়েছিল। চিকিৎসার পর সকলেই অবশ্য সুস্থ হয়ে গিয়েছেন।
এই দুর্ঘটনা রুখতে বেশ কয়েক মাস আগে পুলিসের পক্ষ থেকে পূর্তদপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, মা ফ্লাইওভারের মতো এই ফ্লাইওভারের দু’দিকে ফেন্সিং করা হবে। তারপর কাজ শুরু করে পূর্তদপ্তর। সেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে ফ্লাইওভারের কিছুটা অংশ ফাঁকা রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্লাইওভারের নীচে যেখানে জনবসতি রয়েছে, অর্থাৎ, যেখান থেকে ঘুড়ি ওড়ানো হয়, সেইসব এলাকার উপরেই ফেন্সিং করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলি ফাঁকা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে দ্বিতীয় দফায় ওই ফাঁকা অংশেও ফেন্সিং দেওয়া হবে।
এই দুর্ঘটনা রুখতে বেশ কয়েক মাস আগে পুলিসের পক্ষ থেকে পূর্তদপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, মা ফ্লাইওভারের মতো এই ফ্লাইওভারের দু’দিকে ফেন্সিং করা হবে। তারপর কাজ শুরু করে পূর্তদপ্তর। সেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে ফ্লাইওভারের কিছুটা অংশ ফাঁকা রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্লাইওভারের নীচে যেখানে জনবসতি রয়েছে, অর্থাৎ, যেখান থেকে ঘুড়ি ওড়ানো হয়, সেইসব এলাকার উপরেই ফেন্সিং করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলি ফাঁকা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে দ্বিতীয় দফায় ওই ফাঁকা অংশেও ফেন্সিং দেওয়া হবে।



