সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: কর্তব্যে গাফিলতি ও ফাঁকিবাজির কারণে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সহ ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশ। মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতির মৃত্যু ও স্যালাইন বিতর্কের তদন্তে চিকিৎসকদের একটি অংশের ফাঁকিবাজি সামনে আশায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাস্তির এই পদক্ষেপ করেছেন।
Advertisement
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করেন শুধু মেদিনীপুর নয়, ডাক্তারদের ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে জেলার সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতেও কড়া নজরদারি শুরু করা উচিত।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেশকিছু বিভাগে সিনিয়র চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আর জি কর কাণ্ডে যাঁরা আন্দোলন করেছিলেন সেই চিকিৎসকদের একটি অংশ নিয়মিত হাসপাতালেই থাকেন না বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে সার্জারি, অর্থোপেডিক ও নোফ্রোলজি বিভাগের একাংশ সিনিয়র চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এক সিনিয়র চিকিৎসক বলেন, এখানকার অনেক চিকিৎসকই আট ঘণ্টা তো দূরের কথা, আউটডোরেও ঠিকমতো ডিউটি করেন না। প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমে ব্যস্ত থাকছেন, অস্ত্রোপচার করছেন। তাই ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে কড়া নজরদারি লাগু করা প্রয়োজন। আরএক চিকিৎসক বলেন, প্রযুক্তির ত্রুটিকে হাতিয়ার করে একাংশ চিকিৎসক জেলার বাইরে থেকেই বায়োমেট্রিকে হাজিরা দিচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকদের ফাঁকিবাজির কারণে বায়োপসি রিপোর্ট পেতে দেড় থেকে দু’মাস লেগে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এক চিকিৎসক বলেন, বেসরকারি জায়গায় সাত দিনের মধ্যেই বায়োপসি রিপোর্ট মিলছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তুলনায় প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনেক কম টেকনিশিয়ান রয়েছেন। তাহলে এখানে বায়োপসি রিপোর্ট পেতে এত সময় লাগছে কেন? বিভিন্ন বিভাগে এরকম অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। কাজেই এখানে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করা যাচ্ছে না।
যদিও এ ব্যাপারে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, আমরা ইউনিট হিসেবে পরিষেবা মূল্যায়ন করি। অস্ত্রোপচারের সময় বা ডিউটি আওয়ারে কোনও চিকিৎসক অনুপস্থিত আছেন কিনা তা সেই ইউনিট ইনচার্জ ও বিভাগীয় প্রধানরাই দেখবেন। এখনও পর্যন্ত এ ধরনের কোনও অভিযোগ কেউ করেননি।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেশকিছু বিভাগে সিনিয়র চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আর জি কর কাণ্ডে যাঁরা আন্দোলন করেছিলেন সেই চিকিৎসকদের একটি অংশ নিয়মিত হাসপাতালেই থাকেন না বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে সার্জারি, অর্থোপেডিক ও নোফ্রোলজি বিভাগের একাংশ সিনিয়র চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এক সিনিয়র চিকিৎসক বলেন, এখানকার অনেক চিকিৎসকই আট ঘণ্টা তো দূরের কথা, আউটডোরেও ঠিকমতো ডিউটি করেন না। প্রাইভেট চেম্বার ও নার্সিংহোমে ব্যস্ত থাকছেন, অস্ত্রোপচার করছেন। তাই ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে কড়া নজরদারি লাগু করা প্রয়োজন। আরএক চিকিৎসক বলেন, প্রযুক্তির ত্রুটিকে হাতিয়ার করে একাংশ চিকিৎসক জেলার বাইরে থেকেই বায়োমেট্রিকে হাজিরা দিচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকদের ফাঁকিবাজির কারণে বায়োপসি রিপোর্ট পেতে দেড় থেকে দু’মাস লেগে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এক চিকিৎসক বলেন, বেসরকারি জায়গায় সাত দিনের মধ্যেই বায়োপসি রিপোর্ট মিলছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তুলনায় প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনেক কম টেকনিশিয়ান রয়েছেন। তাহলে এখানে বায়োপসি রিপোর্ট পেতে এত সময় লাগছে কেন? বিভিন্ন বিভাগে এরকম অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। কাজেই এখানে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করা যাচ্ছে না।
যদিও এ ব্যাপারে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, আমরা ইউনিট হিসেবে পরিষেবা মূল্যায়ন করি। অস্ত্রোপচারের সময় বা ডিউটি আওয়ারে কোনও চিকিৎসক অনুপস্থিত আছেন কিনা তা সেই ইউনিট ইনচার্জ ও বিভাগীয় প্রধানরাই দেখবেন। এখনও পর্যন্ত এ ধরনের কোনও অভিযোগ কেউ করেননি।



