সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: বানারহাট পৃথক ব্লক হলেও ধূপগুড়ির ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিককেই সামলাতে হচ্ছে বানারহাট। তবে খুব শীঘ্রই বানারহাট পৃথক স্বাস্থ্য আধিকারিক পেতে চলেছে। চলতি সপ্তাহেই স্বাস্থ্যদপ্তর বানারহাটে গ্রামীণ হাসপাতাল করার জন্য ৩০ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে। আর তাতেই পৃথক বিএমওএইচ পাওয়ার আশা তৈরি হয়েছে বানারহাটে।
Advertisement
ধূপগুড়ির বিএমওএইচ ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, গ্রামীণ হাসপাতাল তৈরি হলে পৃথক স্বাস্থ্য আধিকারিক নিয়োগ হবে। তাছাড়াও ডাক্তার, নার্স নিয়োগ হবে। তাতে এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে। বুধবার আমরা স্বাস্থ্য ভবন থেকে ৩০ কোটি ৩২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৯৬৯ টাকা বরাদ্দের ব্যাপারে জানতে পেরেছি। আশা করছি, শীঘ্রই সরকারি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে কাজটি শুরু হবে।
বানারহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নতি করায় এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরানো নিয়ে আশাবাদী বানারহাটবাসীও। বানারহাট ব্লকের স্বাস্থ্য সহ চিকিৎসা ব্যবস্থা এখনও দেখেন ধূপগুড়ির বিএমওএইচ। আর বানারহাট ও ধূপগুড়ি মিলিয়ে মোট ৯১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সামলাতে কার্যত তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। তাছাড়া বানারহাট চা বলয়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর মতো রোগ মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দেয়। তারউপর বানারহাট ব্লকেই রয়েছে ৫১টির মতো স্বাস্থ্যকেন্দ্র। অন্যদিকে, বানারহাট ব্লকে গ্রামীণ হাসপাতাল না থাকার দরুন ভারত-ভুটান সীমান্তের চামূর্চি এলাকার বাসিন্দাদের প্রায় ৪৫ কিমি দূরে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল কিংবা ধূপগুড়িতে আসতে হয়। পরিকাঠামো উন্নত হলে সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, রাজ্য সরকার কথা দিলে কথা রাখে তা ফের প্রমাণ হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বানারহাটকে ব্লক করেছেন। এবার বানারহাট পৃথক গ্রামীণ হাসপাতালও পাবে।
বানারহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নতি করায় এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল ফেরানো নিয়ে আশাবাদী বানারহাটবাসীও। বানারহাট ব্লকের স্বাস্থ্য সহ চিকিৎসা ব্যবস্থা এখনও দেখেন ধূপগুড়ির বিএমওএইচ। আর বানারহাট ও ধূপগুড়ি মিলিয়ে মোট ৯১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সামলাতে কার্যত তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। তাছাড়া বানারহাট চা বলয়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর মতো রোগ মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দেয়। তারউপর বানারহাট ব্লকেই রয়েছে ৫১টির মতো স্বাস্থ্যকেন্দ্র। অন্যদিকে, বানারহাট ব্লকে গ্রামীণ হাসপাতাল না থাকার দরুন ভারত-ভুটান সীমান্তের চামূর্চি এলাকার বাসিন্দাদের প্রায় ৪৫ কিমি দূরে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল কিংবা ধূপগুড়িতে আসতে হয়। পরিকাঠামো উন্নত হলে সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, রাজ্য সরকার কথা দিলে কথা রাখে তা ফের প্রমাণ হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বানারহাটকে ব্লক করেছেন। এবার বানারহাট পৃথক গ্রামীণ হাসপাতালও পাবে।



