সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার বিকেলে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে যথাযথ চিকিৎসা না করেই মৃত ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ। মৃতদেহ আটকে রেখে মৃতের পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। চিকিৎসকদের শাস্তির দাবিতে তাঁরা সরব হন। সামসি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনীষা দাসও চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন।
Advertisement
মৃতের নাম উৎপল চক্রবর্তী (৪১)। তাঁর বাড়ি সামসি গ্রাম পঞ্চায়েতের গণেশপাড়ায়। দুপুরে খাওয়ার সময় তাঁর গলায় খাবার আটকে যায়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে তড়িঘড়ি সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে রোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সামসি আউটপোস্টের পুলিস। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রতুয়া-১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক রাকেশ কুমার, বিডিও রাকেশ টোপ্পো প্রমুখ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাঁর যথাযথ চিকিৎসা না করে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন। আমি নিজেও হাসপাতালে গিয়ে রোগীর চিকিৎসা করি। তাঁর ফের ইসিজি করা হয়। পরীক্ষার রিপোর্ট ও চিকিৎসা শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী রোগীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। রোগীর পরিবারের সদস্যরা উত্তেজিত হলে বিষয়টি তাঁদের বোঝানো হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের রোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সর্বদা ভালো ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডিও রাকেশ টোপ্পো বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। বিষয়টি মহকুমা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর রোগীকে মৃত ঘোষণা করেন। আমি নিজেও হাসপাতালে গিয়ে রোগীর চিকিৎসা করি। তাঁর ফের ইসিজি করা হয়। পরীক্ষার রিপোর্ট ও চিকিৎসা শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী রোগীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। রোগীর পরিবারের সদস্যরা উত্তেজিত হলে বিষয়টি তাঁদের বোঝানো হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের রোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সর্বদা ভালো ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডিও রাকেশ টোপ্পো বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। বিষয়টি মহকুমা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



