সংবাদদাতা বেলদা: স্ট্যাম্প পেপারে সই করিয়ে বিভিন্ন নামী কোম্পানিতে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল মূল অভিযুক্ত। তাকে ফের দাঁতন আদালতে পেশ করে বেলদা থানার পুলিস। ধৃতকে আরও জেরা করে এই প্রতারণা চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে চায় পুলিস। ধৃত নারায়ণ হাতি সম্পর্কে উঠে আসছে নানা তথ্য। ফলে ধোঁয়াশা ভেদ করে এখনও বেশি দূর এগতেই পারেননি তদন্তকারী আধিকারিকরা। রহস্যের জাল ভেদ করতে ফের আদালতের কাছে পুলিস হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।
Advertisement
সম্প্রতি বেলদার নহপাড় গ্রামের রাসবিহারী দাস অভিযোগ করেন, চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়েছিল এগরা থানা এলাকার কসবা গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণ হাতি। কোন পদে চাকরি দেওয়া হবে, কত টাকা মাইনে মিলবে তার চুক্তিও করা হয় স্ট্যাম্প পেপারে। আর সেই অভিযোগ পেয়ে প্রথমে নারায়ণকে গ্রেপ্তার করে বেলদা থানার পুলিস। জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পারে, নারায়ণের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিল ফতেপুর গ্রামের শক্তিপদ দাস এবং স্থানীয় প্রাক্তন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান তথা বর্তমান বিজেপি নেতা গোবর্ধন হেমব্রম।
তাদেরও গ্রেপ্তার করে পুলিস। প্রথমে নারায়ণকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণের দেওয়া বহু তথ্যই মিথ্যা। তদন্তের স্বার্থে তার এগরা থানার কসবার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে পুলিসের চক্ষু ছানাবড়া। যে এলাকা থেকে সে লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি প্রতারণা করেছে, তার বাড়ি ছোট্ট ঝুপড়ি। সেখানে অন্য কেউ থাকে না। সে বাড়ি থেকে দু’টি মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিস। মোবাইলের কল লিস্টে বহু নম্বর রয়েছে। তবে একটি নম্বরও কারও নামে সেভ করা নেই। পেঁয়াজের খোসার মতো পরতে পরতে ছড়িয়ে রহস্যের জাল। পুলিসের দাবি, নারায়ণের একাধিক বিয়ে। পুলিসের কাছে নারায়ণ তিনটি বিয়ের কথা জানালেও পুলিসের অনুমান অন্তত চারটি বিয়ে করেছে নারায়ণ। কিন্তু সেই স্ত্রী-রা কোথায় থাকে, তা খোঁজ করতে গিয়ে ধন্দে পড়ে পুলিস। পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, একাধিক বাড়ি এবং গাড়িও থাকতে পারে নারায়ণের। কোথায় কোথায় বাড়ি রয়েছে, গাড়িটিই বা কোথায়, স্ত্রী-রা কোথায় থাকেন, তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এসব নিয়ে বিশদে জানতে, ৫ দিনের পুলিস হেফাজত শেষে সোমবার ফের দাঁতন আদালতে পেশ করা হয় নারায়ণকে। বিচারক তিনদিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেন।
পুলিসের অনুমান, অন্তত কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি করেছে এই চক্রটি। এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকের যোগ রয়েছে বলেও পুলিসের অনুমান। চক্রে পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুরের পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম ও কলকাতার বেশ কিছু প্রতারক জড়িত। ধীরে ধীরে সেই রহস্যের জাল ভেদ করতে চাইছে পুলিস।
তাদেরও গ্রেপ্তার করে পুলিস। প্রথমে নারায়ণকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণের দেওয়া বহু তথ্যই মিথ্যা। তদন্তের স্বার্থে তার এগরা থানার কসবার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে পুলিসের চক্ষু ছানাবড়া। যে এলাকা থেকে সে লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি প্রতারণা করেছে, তার বাড়ি ছোট্ট ঝুপড়ি। সেখানে অন্য কেউ থাকে না। সে বাড়ি থেকে দু’টি মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিস। মোবাইলের কল লিস্টে বহু নম্বর রয়েছে। তবে একটি নম্বরও কারও নামে সেভ করা নেই। পেঁয়াজের খোসার মতো পরতে পরতে ছড়িয়ে রহস্যের জাল। পুলিসের দাবি, নারায়ণের একাধিক বিয়ে। পুলিসের কাছে নারায়ণ তিনটি বিয়ের কথা জানালেও পুলিসের অনুমান অন্তত চারটি বিয়ে করেছে নারায়ণ। কিন্তু সেই স্ত্রী-রা কোথায় থাকে, তা খোঁজ করতে গিয়ে ধন্দে পড়ে পুলিস। পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, একাধিক বাড়ি এবং গাড়িও থাকতে পারে নারায়ণের। কোথায় কোথায় বাড়ি রয়েছে, গাড়িটিই বা কোথায়, স্ত্রী-রা কোথায় থাকেন, তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এসব নিয়ে বিশদে জানতে, ৫ দিনের পুলিস হেফাজত শেষে সোমবার ফের দাঁতন আদালতে পেশ করা হয় নারায়ণকে। বিচারক তিনদিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেন।
পুলিসের অনুমান, অন্তত কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি করেছে এই চক্রটি। এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকের যোগ রয়েছে বলেও পুলিসের অনুমান। চক্রে পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুরের পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম ও কলকাতার বেশ কিছু প্রতারক জড়িত। ধীরে ধীরে সেই রহস্যের জাল ভেদ করতে চাইছে পুলিস।



