সংবাদদাতা, বনগাঁ: পানীয় জলের সমস্যা দ্রুত মেটাতে তৎপর বনগাঁ পুরসভা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে পরিস্রুত জল। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পাইপলাইনের কাজ প্রায় শেষের পথে। কয়েক মাসের মধ্যে কাজ শেষ হলেই শহরের প্রায় ৩২ হাজার বাড়িতে পৌঁছে যাবে জল। তবে এই জল ভূগর্ভস্থ নয়, গঙ্গার।
Advertisement
বাড়ি বাড়ি জল বিতরণের এই প্রকল্পটির নাম গায়ত্রী। নদীয়ার চাকদহ থেকে গঙ্গার জল পৌঁছে যাবে শহরের পাঁচ জায়গায় তৈরি হওয়া পাঁচটি রিজার্ভারে। সেখান থেকে ২২টি ওয়ার্ডের ৩২ হাজার বাসিন্দার বাড়িতে পৌঁছবে পানীয় জল। জানা গিয়েছে, ইছামতী নদীর উপর দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছবে ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত রিজার্ভারে। সেখান থেকে ১, ২, ৩, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জল পরিষেবা দেওয়া হবে। বনগাঁ কলেজ ঘাটে তৈরি হবে ফুট ওভারব্রিজ। পাশ দিয়ে যাবে জলের লাইন।
প্রথমে ভূগর্ভস্থ জল তুলে শোধন করে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। এরপরই ঠিক হয় নদীয়ার চাকদহ থেকে গঙ্গার জল এনে তা পরিস্রুত করে বনগাঁবাসীর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। পিএইচই এই কাজটি করবে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে পিএইচই পাইপলাইনের কাজ শুরু করেছে। যদিও বাসিন্দাদের দাবি, এর আগেও পুরসভার তরফে একাধিকবার পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জল মেলেনি। আর প্রতিশ্রুতি নয়, এবার জল চান শহরবাসী।
অন্যদিকে, বনগাঁ শহরের সবকটি রাস্তার সংস্কারের কাজও দ্রুত শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। পাইপলাইনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন রাস্তার জন্য প্রায় ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, খুব দ্রুত বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে যাবে। পাইপলাইনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ করা হবে।
প্রথমে ভূগর্ভস্থ জল তুলে শোধন করে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। এরপরই ঠিক হয় নদীয়ার চাকদহ থেকে গঙ্গার জল এনে তা পরিস্রুত করে বনগাঁবাসীর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। পিএইচই এই কাজটি করবে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে পিএইচই পাইপলাইনের কাজ শুরু করেছে। যদিও বাসিন্দাদের দাবি, এর আগেও পুরসভার তরফে একাধিকবার পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জল মেলেনি। আর প্রতিশ্রুতি নয়, এবার জল চান শহরবাসী।
অন্যদিকে, বনগাঁ শহরের সবকটি রাস্তার সংস্কারের কাজও দ্রুত শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। পাইপলাইনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন রাস্তার জন্য প্রায় ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, খুব দ্রুত বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে যাবে। পাইপলাইনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ করা হবে।



