Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬

বিহারে বড় দায়িত্ব পালনে ইচ্ছুক চিরাগ, এলজেপি সাংসদের মন্তব্যে জল্পনা

সামনেই বিহারে বিধানসভা ভোট। আর তার আগে কী রাজ্য রাজনীতিতে সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত? লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান বিহারের রাজনীতিতে বড় ভূমিকা পালনে প্রস্তুত বলে দাবি করলেন দলের সাংসদ অরুণ ভারতী।

বিহারে বড় দায়িত্ব পালনে ইচ্ছুক চিরাগ, এলজেপি  সাংসদের মন্তব্যে জল্পনা
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সামনেই বিহারে বিধানসভা ভোট। আর তার আগে কী রাজ্য রাজনীতিতে সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত? লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান বিহারের রাজনীতিতে বড় ভূমিকা পালনে প্রস্তুত বলে দাবি করলেন দলের সাংসদ অরুণ ভারতী। তিনি সম্পর্কে চিরাগের শ্যালক। এলজেপি সাংসদের সাফ কথা, বিহারের এখন পরিবর্তন জরুরি। এর জন্য একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন উদ্যমী ও উপযুক্ত নেতার প্রয়োজন। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে বসে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কারণ চিরাগ রাজ্যের একজন বিরল নেতা, সব বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। অন্য নেতাদের সেই দূরদর্শিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নেই। অরুণের এই বক্তব্যের পরেই জল্পনা ছড়াতে শুরু করেছে, তাহলে কি বিধানসভা নির্বাচনে চিরাগকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করার জন্য এনডিএ-র অন্দরে চাপ বৃদ্ধি করতে চাইছে এলজেপি? তবে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ভবিষ্যত নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি অরুণ। তিনি জানান, নীতীশের নেতৃত্বে বিহার দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে। তবে উন্নয়নের নিরিখে অন্য রাজ্যের থেকে বিহার এখনও পিছিয়ে।

Advertisement

এর আগে চিরাগ জানিয়েছিলেন, তিনি বিহারের রাজনীতির অংশ হতে চান। বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের আর মাস ছয়েক বাকি। তাই তার আগে এলজেপি (রামবিলাস) চিরাগের জন্য ভালো কোনও আসনের খোঁজে রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অতীতে নীতীশের দল জেডিইউয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব একটা মধুর ছিল না। তাই ২০২০ সালে, গত বিধানসভার আগে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন চিরাগ। সেবারের নির্বাচনে জেডিইউ যে সব আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, সেখানে পাল্টা প্রার্থী দেয় এলজেপি, যার জেরে নীতীশের দলের আসন কমে যায়। যদিও চিরাগের পার্টি একটির বেশি আসনে জিততে পারেনি। বিজেপি ও এলজেপি বারবারই দাবি করে এসেছে, তারা নীতীশের নেতৃত্বেই ভোটে লড়াই করবে। কিন্তু সেই সমীকরণ বদলায় কি না, তার দিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ