Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বালুচিস্তানে নিরাপত্তাকর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল চীন

বালুচিস্তান প্রদেশে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বালোচ যোদ্ধারা। পাকিস্তানি প্রশাসনকে প্রায়ই তারা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

বালুচিস্তানে নিরাপত্তাকর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল চীন
  • ১৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: বালুচিস্তান প্রদেশে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বালোচ যোদ্ধারা। পাকিস্তানি প্রশাসনকে প্রায়ই তারা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। কখনও ট্রেন হাইজ্যাক করে, কখনও সেনার কনভয়ে হামলা চালাচ্ছে তারা। বালোচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) এই হামলায় বিপাকে পড়েছে চীনও। এই বালুচিস্তান প্রদেশের মধ্য দিয়েই গিয়েছে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প। রয়েছে গদর বন্দর। এই ইকনমিক করিডরে (সিপেক) কাজ করতে বালুচিস্তান প্রদেশে রয়েছেন বহু চীনা কর্মী। পাকিস্তানের পাশাপাশি বিএলএ-র টার্গেট এই চীনা কর্মীরাও। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সিপেকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় পাকিস্তানি প্রশাসনের উপর আর ভরসা রাখতে না পেরে নিজেদের দেশের বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল চীন। 

Advertisement

পড়শি দেশে সরাসরি লালফৌজ মোতায়েন নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। এই অবস্থায় সেদেশের তিনটি নিরাপত্তা সংস্থাকে বালুচিস্তানে পাঠাতে চাইছে জিনপিংয়ের দেশ। সূত্রের খবর, দেওয়া সিকিওরিটি ফ্রন্টিয়ার সার্ভিস গ্রুপ, চীনা ওভারসিজ সিকিওরিটি গ্রুপ এবং হুয়াকজিন ঝংশান সিকিওরিটি সার্ভিসের সঙ্গে চুক্তি করেছে বেজিং। সেনা সরঞ্জাম দিয়ে এই নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকেই বালুচিস্তান প্রদেশে সিপেকের কাজে নিয়োজিত করতে চাইছে তারা। 
পাকিস্তানে কাজ করতে গিয়ে বারবার হামলার মুখে পড়েছেন চীনা কর্মীরা। এই মুহূর্তে সিপিকে কাজ করতে প্রায় ৩০ হাজার চীনা কর্মী রয়েছেন পাকিস্তানে। চীনা কর্মীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএলএ। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, সিপেকের মাধ্যমে বালুচিস্তানকে আর্থিকভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে।  প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, তামার মতো খজিন সম্পদ সমৃদ্ধ বালুচিস্তানের স্থানীয় অধিবাসীদের ক্রমশ কোণঠাসা করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বারবার চীনা কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে বিএলএ। গত ৬ অক্টোবর বিএলএ-র আত্মঘাতী বোমা হামলায় মৃত্যু হয় দু’জন চীনা নাগরিকের। এরপরেই নাগরিকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য চাপ বাড়াতে থাকে বেজিং। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ