Bartaman Logo
২ জুলাই, ২০২৬

থলাপতি থেকে মুথালভার, ছক ভাঙা পথে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন ‘বান্ধবী’ তৃষা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেউ তাঁকে হিসাবের মধ্যেই ধরেনি। সকলেই ভেবেছিলেন গতবারের মতোই এবারও তামিলনাড়ুর ভোটে মূল লড়াই হবে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের মধ্যে

থলাপতি থেকে মুথালভার, ছক ভাঙা পথে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন ‘বান্ধবী’ তৃষা
  • ১১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেউ তাঁকে হিসাবের মধ্যেই ধরেনি। সকলেই ভেবেছিলেন গতবারের মতোই এবারও তামিলনাড়ুর ভোটে মূল লড়াই হবে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের মধ্যে। আর নবাগত টিভিকে খুব বেশি হলে কিছু আসন জিতবে। কিন্তু হাল ছাড়েননি টিভিকে প্রধান বিজয়। তিনি বারবারই বলে এসেছেন, তাঁর লড়াই ক্ষমতাসীন ডিএমকের সঙ্গেই। ফল বেরনোর পর দেখা গেল, বিজয়ের কথাই মিলে গিয়েছে। একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এসেছে টিভিকে। সেখানেই শেষ নয়। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও শপথ নিয়েছেন ৫১ বছর বয়সি বিজয়। অভিনেতা হিসাবে তামিলনাড়ুতে তুমুল জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর। বিজয়কে তাঁর ভক্তরা ‘থলাপতি’ বলে ডাকেন। তামিলে যার অর্থ প্রধান বা নেতা। তবে, রবিবার থেকে তিনি শুধু আর থলাপতি নন, এখন তিনি ‘মুথালভার’ বা মুখ্যমন্ত্রীও।

Advertisement

শুধু ক্ষমতায় আসা নয়, এবার ভোট প্রচারের সময়ও একাধিক প্রচলিত ধারা ভেঙে দিয়েছেন বিজয়। সকলে বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এটাই সাধারণ রীতি। কিন্তু থলাপতি সেই পথে হাঁটেননি। এমনকি, প্রত্যেক কেন্দ্রে গিয়ে জোরদার প্রচার বা মিছিলও করেননি। সাংবাদিক সম্মেলন বা সাক্ষাত্কারও দেননি তিনি। বরং প্রচারের জন্য সমাজমাধ্যমকে বেছে নিয়েছিল টিভিকে। বিজয়ের বার্তা বারবার সমাজমাধ্যমে ফরোয়ার্ড করা হয়েছে। বিজয়ের ফ্যানরাই এই দায়িত্ব নিজেরা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। ফলে টিভিকের প্রতিশ্রুতি একেবারে সরাসরি পৌঁছে গিয়েছে ভোটারদের কাছে। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যে এমন অভিনব প্রচার ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এছাড়া নতুন প্রজন্মের যাদের এখনও ভোটাধিকার নেই, তারাও বিজয়কে ভোট দেওয়ার জন্য বাবা-মাকে বুঝিয়েছে।
বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। দীর্ঘদিন ধরেই তৃষার সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্ক ঘিরে জল্পনা চলছে। যদিও কেউই এই নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। এদিন হালকা নীল কাঞ্জিভরম শাড়ি পরে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আসেন তৃষা। বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখরকে দেখে জড়িয়ে ধরেন। তা নিয়ে আরও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃষাকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন স্টেডিয়ামে উপস্থিত বিজয়ের ফ্যানরা। তবে, এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন না বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা বা তাঁদের দুই সন্তান। বিজয়-সঙ্গীতা বিচ্ছেদ মামলা ভোট প্রচারে হাতিয়ার করার চেষ্টা করেছিল বিরোধীরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ