নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দোল এবং হোলি উৎসবকে সামনে রেখে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা তথা দেশের ঐতিহ্য যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, যা সমস্ত ধর্ম-বর্ণ-জাতির ঊর্ধ্বে, তা আরও একবার উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। তাঁরই নির্দেশে বুধবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামমে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে দোল ও হোলি মিলন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেও যেন উঠে এল এক টুকরো ভারতের প্রতিচ্ছবি। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, জৈন, সিন্ধ্রি থেকে শুরু করে নানা ধর্ম, বর্ণ এবং জাতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মমতার বার্তা, ‘কেউ কিছু বললে কান দেবেন না। শান্তিতে উৎসব পালন করুন। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে চলাই মনুষ্যত্ব। একদিনের জন্য এসে কেউ ঝগড়া লাগাবে, আগুন লাগানোর চেষ্টা করবে, সেটা হতে দেবেন না।’ এদিন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নীল দিগন্তে…’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এবং সুরারোপিত দোলের গানে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। তারপরই বদলে যায় মঞ্চের রূপ! ডান্ডিয়া নাচে পা মেলান স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। নৃত্যশিল্পীদের অনুরোধে দর্শকাসন থেকে উঠে এসে ডান্ডিয়ায় অংশ নেন তিনি। বেহালায় সুর তোলেন শিল্পপতি সি কে ধানুকা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘আগামী বছর আরও সুপরিকল্পিতভাবে এই অনুষ্ঠান হবে নেতাজি ইন্ডোরে।’ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। ডান্ডিয়ার পাশাপাশি ভাংড়া নাচেও অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী।



