Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬

এক দেশ এক ভোট নীতিকে সমর্থন নয়, কেন্দ্রের সমালোচনায় চিদম্বরম

‘নির্বোধে’র মতো বিষয়। সংবিধানকে আঘাতের ‘দানবীয়’ উদ্যোগ। এক কথায় ‘অসাংবিধানিক।’ তাই কোনোভাবেই মোদি সরকারের এই বিলকে সমর্থন করছি না।

এক দেশ এক ভোট নীতিকে সমর্থন নয়, কেন্দ্রের সমালোচনায় চিদম্বরম
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘নির্বোধে’র মতো বিষয়। সংবিধানকে আঘাতের ‘দানবীয়’ উদ্যোগ। এক কথায় ‘অসাংবিধানিক।’ তাই কোনোভাবেই মোদি সরকারের এই বিলকে সমর্থন করছি না। এক দেশ এক নির্বাচন বিল নিয়ে সোমবার স্পষ্ট মতামত দিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র-অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ করার লক্ষ্যে সরকার ১২৯ তম সংবিধান সংশোধন বিল আনলেও বিরোধীদের বিরোধিতা জারি রয়েছে। এদিন ওই সংবিধান সংশোধন বিলের সংসদীয় যৌথ কমিটির বৈঠকে ‘বিশেষজ্ঞ’ হিসাবে মতামত জানতে ডাকা হয়েছিল চিদম্বরমকে। সেখানেই তিনি সরকারের উদ্যোগের প্রবল সমালোচনা করেছেন। ভোটাররা পাঁচ বছরের সরকার নির্বাচন করতেই ভোট দেন। ফলে ভোটারদের সেই অধিকারে আঘাত হানা হচ্ছে বলেই চিদম্বরম সওয়াল করেছেন বলেই বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে। সম্পূর্ণ আস্থা অর্জন করে রাজ্যে যদি কোনো সরকার চলে, একসঙ্গে ভোট করাতে হবে বলে কেন রাজ্যগুলিকেও সরকার হারাতে হবে? এটি তো সংবিধানের ভিতের ওপর আঘাত, মত চিদম্বরমের। যা শুনে কমিটির চেয়ারপার্সন বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী বলেছেন, ‘অনাস্থা না আনলেই হল। তাহলেই তো আর মাঝপথে সরকার পড়বে না। সময়ের আগে ভোটের প্রশ্নও উঠবে না।’ তাঁর এই কথা মানতে নারাজ কমিটির সদস্য তৃণমূলের সাগরিকা ঘোষ। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে তিনি বলেছেন, ‘বিলে তো সেটি কোথাও বলাই নেই যে অনাস্থা আনা যাবে না। তাছাড়া এই বিল পাশ হলে নির্বাচন কমিশনের হাতে অস্বাভাবিক ক্ষমতা দেওয়া হবে। কমিশনই ঠিক করবে কবে নির্বাচন হবে। সেক্ষেত্রে মেয়াদের আগে সরকার পড়ে গেলে তো রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে ক্ষমতা তুলে নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।’ তাই এই বিল তৃণমূল সমর্থন করে না বলেই ফের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, ধর্মেন্দ্র যাদব, বাঁশুরী স্বরাজ, অনুরাগ সিং ঠাকুরের মতো সাংসদরাও হাজির ছিলেন। 

Advertisement

স্রেফ চিদম্বরমই নয়। এদিনের বৈঠকে বিশেষজ্ঞর মতামত জানতে ত্রিলোচন সিং, মীনাক্ষি জৈন, নবীন খান্নার মতো দিল্লির ১০ জন পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্তদেরও ডাকা হয়েছিল। বেলা সাড়ে ১১ টায় ডেকে দুপুর পৌনে দুটোর সময় তাঁদের মতামত জানতে ডাকা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ