বিজাপুর: ঘাড় ভাঙা। পাঁচটি পাঁজর ভেঙে বের করা হয় হৃৎপিণ্ড। মাথায় ১৫টি হাড় ভাঙা। ছত্তিশগড়ে খুন হওয়া সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকরের দেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্টে সামনে এসেছে হাড়হিম করা নানা তথ্য। গত ১২ বছরের চাকরি জীবনে এমন নৃশংসতা তিনি আগে কখনও দেখেননি বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক। এর মধ্যেই হায়দরাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সুরেশ চন্দ্রকরকে। দেহ উদ্ধারের পরে গা ঢাকা দিয়েছিল সে।
Advertisement
চাঞ্চল্যকর এই খুনের তদন্তে বিশেষ দল গঠন করেছে পুলিস। ফেরার ঠিকাদার সুরেশের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। রবিবার মধ্যরাতে হায়দরাবাদ থেকে সিট তাকে পাকড়াও করে বলে জানিয়েছেন রাজ্য পুলিসের আইজি (বস্তার রেঞ্জ) সুন্দররাজ পি। সোমবার সকালে অভিযুক্তকে বিজাপুরে আনা হয়। এর মধ্যেই মুকেশের দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টও হাতে পেয়েছে পুলিস। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কারোর একার পক্ষে এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটানো সম্ভব নয়। দু’জনের বেশি অপরাধী এই খুনের ঘটনায় জড়িত ছিল বলে তাঁদের অনুমান।
গত শুক্রবার ঠিকাদার সুরেশের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে ৩৩ বছর বয়সী সাংবাদিক মুকেশের দেহ উদ্ধার হয়। ১ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। রাস্তা নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা দুর্নীতির পর্দাফাঁস করায় তরুণ এই সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই খুনের ঘটনায় এর আগেই সুরেশ চন্দ্রকরের দুই দাদা রীতেশ ও দীনেশ এবং সুপারভাইজার মহেন্দ্র রামটেকেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
গত শুক্রবার ঠিকাদার সুরেশের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে ৩৩ বছর বয়সী সাংবাদিক মুকেশের দেহ উদ্ধার হয়। ১ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। রাস্তা নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা দুর্নীতির পর্দাফাঁস করায় তরুণ এই সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই খুনের ঘটনায় এর আগেই সুরেশ চন্দ্রকরের দুই দাদা রীতেশ ও দীনেশ এবং সুপারভাইজার মহেন্দ্র রামটেকেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।



