নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: মাধ্যমিক পড়ুয়া এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় সোদপুরের ভোম্বলার মোড়ের এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ওই ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা গৃহশিক্ষকের বাড়িতে চড়াও হন। অভিযুক্তকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘোলা থানার পুলিস রবীন দত্ত নামের ওই গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তিনি যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত রবীন দত্তের বাড়ি সোদপুরের ভোম্বলা মোড়ে। গত দু’বছর ধরে ওই ছাত্রী তাঁর কাছে ইংরেজি পড়ে। সোমবার সন্ধ্যায় ওই শিক্ষকের বাড়িতে ছাত্রীটি টিউশন পড়তে গিয়েছিল। অভিযোগ, ওই সময় তাঁর বাড়িতে অন্য কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগে গৃহশিক্ষক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। কোনওমতে সেখান থেকে বাড়ি ফিরে ছাত্রীটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। এরপর ক্ষুব্ধ পরিবার ও প্রতিবেশীরা একযোগে অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হন। তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে ব্যাপক মারধর করা হয়। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিপদ বুঝে গৃহশিক্ষকের প্রতিবেশীরা স্থানীয় ঘোলা থানায় ফোন করেন। তড়িঘড়ি পুলিস এসে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ওই রবীন দত্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে জেরায় ওই গৃহশিক্ষক পুলিসকে জানিয়েছেন, ওই ছাত্রী পড়া না পারায় তিনি তার কান মলে দিয়েছিলেন। সেজন্য রাগের বশে সে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। বারাকপুরের অতিরিক্ত পুলিস কমিশনার (ঘোলা) তনয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, ছাত্রী পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগও হয়েছে। সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



