সংবাদদাতা, তপন: ছাত্রকে শাসন করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে প্রধান শিক্ষক। মঙ্গলবার তপন ব্লকের কড়ই চেঁচড়া হাইস্কুলের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, নবম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে ১০ থেকে ১৫ বার বেতের আঘাত করেছেন প্রধান শিক্ষক সুবীর দাস। তাও আবার গলায়, ঘাড়ে মেরেছেন। আগামীতে এমন পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেজন্য প্রতিবাদ হিসেবে স্কুলে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। জখম পড়ুয়ার অভিভাবক পবিত্র বসাক বলেন, আমার ছেলে সকাল থেকেই বলছিল স্কুলে যাবে না। ও বলছিল, প্রধান শিক্ষক পড়া পারলেও মারেন, না পারলেও মারেন। তাও আমি জোর করেই ছেলেকে স্কুলে পাঠাই। এরপরই জানতে পারি ছেলেকে মেরেছেন প্রধান শিক্ষক। আমার অভিযোগ, এতবার করে ঘাড়ে, গলায় মেরেছেন। এগুলো তো মারার জায়গা নয়। শিক্ষকরা শাসন করবেন। সেটার একটা পদ্ধতি থাকতে পারে। গলায়, ঘাড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বেতের আঘাত করলে যে কারোরই বিপদ হতে পারে। অভিযোগের জবাবে প্রধান শিক্ষক সুবীর দাস বলেন, ভুলবশত গলায় আঘাত লেগেছে। তবে অভিভাবকরা লাঠিসোটা নিয়ে মারমুখী হয়েই বিদ্যালয়ের সামনে এসে হাজির হয়েছিল। এটাও কিন্তু কাম্য নয়।



