নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছাত্র সংখ্যা শূন্য। শিক্ষক মাত্র একজন। বাস্তবে রোজ তালা খুললেও পঠনপাঠন হয় না। যদিও পুরসভার খাতায় কলমে বিলক্ষণ রয়েছে বউবাজারের এই পুর স্কুলটি। জগবন্ধু লেনের একটি ভাড়া বাড়িতে সেটি রয়েছে। গোটা ওয়ার্ডে পুরসভা পরিচালিত আর কোনও স্কুল না থাকায় গরিব পড়ুয়াদের স্বার্থে বিদ্যালয়টির সংস্কার হোক, কিংবা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল শুরু হোক, এই দাবি উঠেছে অনেক জায়গা থেকে।
Advertisement
৩৭ নম্বর জগবন্ধু লেন। বউবাজারে ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া মোড় থেকে লালবাজারের দিকে এগলে ডান হাতের প্রথম গলি। তা কিছুটা গিয়ে চুনাপুকুর লেনের সঙ্গে মিশেছে। সেই জগবন্ধু লেনের শেষপ্রান্তের একটি বাড়িতে স্কুলটি রয়েছে। আগে একটি বোর্ড ছিল। সেটি খুলে পড়ে গিয়েছে। বাড়িটির বাইরের অংশের অবস্থা চলনসই। তবে পিছনের অংশে দেওয়ালে গজিয়ে উঠেছে বটগাছ। ভিতরের অবস্থা আরও শোচনীয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নামেই রয়েছে স্কুলটি। স্থানীয় এক মুদি দোকানের মালিক বলেন, ওই স্কুল কয়েক বছর ধরে বন্ধ। একজন শিক্ষক অবশ্য রয়েছেন। তিনি নিয়মিতই আসেন। তালা খোলেন। নির্দিষ্ট সময় থেকে স্কুলে তালা দিয়ে চলে যান। স্কুলের পাশের গলির বাসিন্দা রতন কর্মকার। তিনি বলেন, ‘স্কুলটি একসময় ভালোই চলত। তারপর পড়ুয়া কমতে শুরু করে। একসময় একদম আসা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এই অঞ্চলে আর কোন পুর স্কুল নেই। এখন পুরসভা অনেক মডেল স্কুল বানাচ্ছে। এলাকার দরিদ্র শিশুদের জন্য এটিরও সংস্কার করা যেতে পারে।’
সম্প্রতি স্কুলের বিষয়টি পুরসভার কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বরূপ দে। তিনি বলেন, ‘একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইতিমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পিপিপি মডেলে ওরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল করতে চায়। তা করা গেলে অঞ্চলের প্রান্তিক পরিবারের শিশুরা ইংরেজি স্কুলে শিক্ষাগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।’ পুরসভার শিক্ষা বিভাগের মেয়র পারিষদ সন্দীপন সাহা বলেন, ‘স্কুলটি ভাড়া বাড়িতে চলে। ওখানে পুরসভার কোনও ভবন নেই। নতুন করে স্কুলবাড়ি তৈরির জায়গাও নেই। কাউন্সিলার স্কুলবাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বললে, পুরনো জায়গাটি সংস্কার করে স্মার্ট ক্লাস চালু করা যেতে পারে।’
সম্প্রতি স্কুলের বিষয়টি পুরসভার কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বরূপ দে। তিনি বলেন, ‘একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইতিমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পিপিপি মডেলে ওরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল করতে চায়। তা করা গেলে অঞ্চলের প্রান্তিক পরিবারের শিশুরা ইংরেজি স্কুলে শিক্ষাগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।’ পুরসভার শিক্ষা বিভাগের মেয়র পারিষদ সন্দীপন সাহা বলেন, ‘স্কুলটি ভাড়া বাড়িতে চলে। ওখানে পুরসভার কোনও ভবন নেই। নতুন করে স্কুলবাড়ি তৈরির জায়গাও নেই। কাউন্সিলার স্কুলবাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বললে, পুরনো জায়গাটি সংস্কার করে স্মার্ট ক্লাস চালু করা যেতে পারে।’



