নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: সামনেই ছটপুজো। বারাকপুর মহকুমার হাজার হাজার মানুষ গঙ্গায় স্নান করে সূর্য দেবতার আরাধনা করবেন। এবার ছটপুজোর সময় গঙ্গায় জোয়ার থাকবে। তাই নিরাপত্তায় কোনও গাফিলতি রাখতে চাইছে না জেলা প্রশাসন। রবিবার জগদ্দলে গঙ্গার ঘাট পরিদর্শনে আসেন জেলাশাসক (ডিএম) শরদকুমার দ্বিবেদী ও পুলিস কমিশনার (সিপি) অলক রাজোরিয়া এবং অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পুরসভা ও উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশ, রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো নিরাপত্তার সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।
Advertisement
ছটপুজোর দিন গঙ্গার দু’পারে বারাকপুর ও হুগলি জেলার অসংখ্য হিন্দিভাষী মানুষ গঙ্গায় ছটপুজো করতে আসেন। প্রতিটি থানা এলাকার গঙ্গাঘাট ভক্ত সমাগমে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। মহিলা ও শিশুরা স্নান করতে জলে নামার পর মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হন। তলিয়ে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ভিড়ের চাপেও অসুস্থ হন অনেকে। এবার ৭ তারিখ সন্ধ্যায় ও ৮ তারিখ সকালে ছট পুজোর অর্ঘ্য নিবেদনের সময় গঙ্গায় জোয়ার থাকবে। তাই আরও বেশি সতর্কতা হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা। এদিন জগদ্দলের অ্যালায়েন্স জুটমিল গঙ্গার ঘাট পরিদর্শন করেন ডিএম ও সিপি। এদিন তাঁরা কাঠ ও বাঁশ বেঁধে তৈরি অস্থায়ী ঘাট, বাঁশের ব্যারিকেড খতিয়ে দেখেন।
সিপি বলেন, ব্যারিকেডের বাইরে যাতে কেউ বেরতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যায় পুলিস কর্মী, সিভিল ডিফেন্স ও ডুবুরি থাকবেন। গঙ্গাবক্ষে চলবে নৌকা টহলও। তবে উদ্যোক্তাদের তরফেও পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলা, শিশু প্রভৃতি কোনও কারণে অসুস্থ হলে তাঁদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখার কথা বলা হয়েছে।
জেলাশাসক বলেন, ছটপুজো উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। থাকবে পর্যাপ্ত আলো, শৌচাগার এবং ভক্তদের পোশাক পরিবর্তনের জায়গা। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বক্ষণ থাকবে জলপথে নজরদারি। আশা করা হচ্ছে, ৫ তারিখের মধ্যেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হবে।
সিপি বলেন, ব্যারিকেডের বাইরে যাতে কেউ বেরতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যায় পুলিস কর্মী, সিভিল ডিফেন্স ও ডুবুরি থাকবেন। গঙ্গাবক্ষে চলবে নৌকা টহলও। তবে উদ্যোক্তাদের তরফেও পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলা, শিশু প্রভৃতি কোনও কারণে অসুস্থ হলে তাঁদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখার কথা বলা হয়েছে।
জেলাশাসক বলেন, ছটপুজো উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। থাকবে পর্যাপ্ত আলো, শৌচাগার এবং ভক্তদের পোশাক পরিবর্তনের জায়গা। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বক্ষণ থাকবে জলপথে নজরদারি। আশা করা হচ্ছে, ৫ তারিখের মধ্যেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হবে।



