নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ছটপুজো উপলক্ষ্যে প্রতি বছরই হাওড়া শহর সহ সাঁকরাইল, ডোমজুড়ের শতাধিক ঘাটে কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। এবছর সেই সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে বলে হাওড়া সিটি পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে আগেভাগেই গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিস। আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার প্রতিটি ঘাট সংলগ্ন এলাকায় গাড়ি পার্কিংয়ের সমস্যা মেটাতে কিউআর কোড চালু করবে প্রশাসন।
Advertisement
হাওড়া সিটি পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কমিশনারেটের আওতাধীন ১৬টি থানা এলাকায় এবার গঙ্গার ১৪৩টি ঘাটে ছটপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাঁকরাইল, গোলাবাড়ি, মালিপাঁচঘড়া, বালি, লিলুয়া ও হাওড়া থানা এলাকায় সব থেকে বেশি ঘাট রয়েছে। এই ঘাটগুলিতে ছটপুজোর দু’দিন সব থেকে বেশি পুণ্যার্থীর ভিড় হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিস প্রতিটি ঘাটে দ্বিস্তরীয় ব্যারিকেড তৈরি করেছে। রামকৃষ্ণপুর ঘাট, শিবপুর ঘাট, বাঁধাঘাট, জগন্নাথ ঘাট, লবনগোলা ঘাট, গোলাবাড়ি ঘাট, গোশালাঘাটে বসানো হচ্ছে অতিরিক্ত সিসি ক্যামেরা। পাশাপাশি পুজোর সময় যাতে কেউ জলে তলিয়ে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে বারাকপুর থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। পাশাপাশি হাওড়া সিটি পুলিসের তরফেও প্রশিক্ষিত সাঁতারুর দলকে তৈরি রাখা হবে ঘাটগুলিতে। নজরদারি চালানোর জন্য ১২টি ছোট লঞ্চ ভাড়া করা হচ্ছে। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘বড় ঘাটগুলিতে মহিলাদের জন্য অস্থায়ী চেঞ্জিং এনক্লোজার থাকবে। মহিলারা যাতে কোনও ধরনের অসুবিধায় না পড়েন, সেজন্য উইনার্স বাহিনীর সদস্যরাও প্রতিটি ঘাটে নজর রাখবেন।’
নিরাপত্তার পাশাপাশি ছটপুজোর সময় ঘাটগুলির আশপাশে পার্কিং নিয়ে সমস্যা হয়। তা নিয়ে চিন্তিত হাওড়া সিটি পুলিসের কর্তারা। এই সমস্যা মেটাতে কিউআর কোডের উপরেই ভরসা করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হাওড়া সিটি পুলিসের তরফে একটি বিশেষ কিউআর কোড শেয়ার করা হবে। সেখানে স্ক্যান করলে গুগল লিঙ্ক থেকে সাধারণ মানুষ সহজেই জানতে পারবেন, কোন ঘাটের আশপাশে পার্কিং লট ফাঁকা রয়েছে। এজন্য হাওড়ার সাতটি ট্রাফিক গার্ড এলাকায় মোট ৬০টি পার্কিং এরিয়া চিহ্নিত করা হয়েছে। ছটপুজো চলাকালীন শহরের রাস্তায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে আগামী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার ভোররাত ২টো থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত একাধিক রাস্তায় ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মঙ্গলবার রামকৃষ্ণপুর ঘাট ও শিবপুর ঘাটে ছটপুজোর প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন মন্ত্রী অরূপ রায়। পাশাপাশি হাওড়া পুরসভার তরফেও এদিন মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী আধিকারিকদের নিয়ে ঘাট পরিদর্শন করেন।
নিরাপত্তার পাশাপাশি ছটপুজোর সময় ঘাটগুলির আশপাশে পার্কিং নিয়ে সমস্যা হয়। তা নিয়ে চিন্তিত হাওড়া সিটি পুলিসের কর্তারা। এই সমস্যা মেটাতে কিউআর কোডের উপরেই ভরসা করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হাওড়া সিটি পুলিসের তরফে একটি বিশেষ কিউআর কোড শেয়ার করা হবে। সেখানে স্ক্যান করলে গুগল লিঙ্ক থেকে সাধারণ মানুষ সহজেই জানতে পারবেন, কোন ঘাটের আশপাশে পার্কিং লট ফাঁকা রয়েছে। এজন্য হাওড়ার সাতটি ট্রাফিক গার্ড এলাকায় মোট ৬০টি পার্কিং এরিয়া চিহ্নিত করা হয়েছে। ছটপুজো চলাকালীন শহরের রাস্তায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে আগামী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার ভোররাত ২টো থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত একাধিক রাস্তায় ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মঙ্গলবার রামকৃষ্ণপুর ঘাট ও শিবপুর ঘাটে ছটপুজোর প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন মন্ত্রী অরূপ রায়। পাশাপাশি হাওড়া পুরসভার তরফেও এদিন মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী আধিকারিকদের নিয়ে ঘাট পরিদর্শন করেন।



