সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: এলাকার উন্নয়নে এবং জনসংযোগে প্রশ্নের মুখে শিলিগুড়ি পুরসভার কাউন্সিলাররা। প্রতি শনিবার টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নাগরিকরা ছোটখাট সমস্যা নিয়ে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় এই দিকটি উঠে এসেছে। শনিবারও বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন নাগরিক মেয়র গৌতম দেবের কাছে তাঁদের ছোটখাট সমস্যার কথা জানান। যে সমস্যা কাউন্সিলারকে বললেই সমাধান হওয়া সম্ভব।
Advertisement
৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভিজিৎ সাহা মেয়রকে জানান, তাঁর এলাকায় রাস্তার একধারে কাঁচা নালার মুখ বন্ধ হয়ে রয়েছে। ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোহিত কুমার সাহা বলেন, এলাকায় গলির রাস্তা সংস্কার হচ্ছে না। ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের শুভময় বণিক অভিযোগ করেন নর্দমা বন্ধ হয়ে রয়েছে। ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক নাগরিক বলেন, হোল্ডিং নম্বরের জন্য আবেদন করেও পাইনি। এরকম কেউ ফোন করছেন দীর্ঘদিন বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না, আবার কারও অভিযোগ পথবাতি ঠিকমতো জ্বলে না। জঞ্জাল নিয়মিত পরিষ্কার হয় না।
মেয়রের কাছে সরাসরি এধরনের অভিযোগ আসায় প্রশ্ন উঠেছে, কাউন্সিলারের কাছে না গিয়ে মানুষ এধরনের ছোটখাট সমস্যায় মেয়রের দ্বারস্থ হচ্ছেন কেন? তাহলে কি কাউন্সিলাররা নিজের এলাকার উন্নয়ন ও জনসংযোগের কাজ ঠিকমতো করছেন না? ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কাউন্সিলারের কাছ থেকে সেভাবে সাড়া না পাওয়াতেই মানুষ ছোটখাট বিষয়ও মেয়রকে সরাসরি বলতে বাধ্য হচ্ছেন।
অভিযোগ, বেশকিছু ওয়ার্ডে কাউন্সিলারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক কাউন্সিলারকে ওয়ার্ডে দেখা যায় না। বিশেষ করে যারা অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তারা এলাকার কিছু পছন্দের ব্যক্তির উপর ওয়ার্ডের দায়িত্ব দিয়ে বসে রয়েছেন। যদিও মেয়র গৌতম দেব বলেন, মানুষ টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মেয়রকে সহজে পাচ্ছেন। এতে সকলেরই ধারণা হয়ে গিয়েছে, মেয়রকে সরাসরি জানালে দ্রুত কাজ হবে। মেয়রকে কাছের মানুষ মনে করছেন। এখানেই এই অনুষ্ঠানের সার্থকতা। শুধু পুরসভা এলাকাই নয় পঞ্চায়েত এলাকা, অন্য জেলা ও রাজ্য থেকেও মানুষ এই অনুষ্ঠানে তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমাকে ফোন করছেন। তাই কাউন্সিলাররা কাজ করছেন না বলে মানুষ ছোটখাটো বিষয়ে আমাকে ফোন করছেন, এভাবে বিষয়টি আমি দেখছি না।
মেয়রের কাছে সরাসরি এধরনের অভিযোগ আসায় প্রশ্ন উঠেছে, কাউন্সিলারের কাছে না গিয়ে মানুষ এধরনের ছোটখাট সমস্যায় মেয়রের দ্বারস্থ হচ্ছেন কেন? তাহলে কি কাউন্সিলাররা নিজের এলাকার উন্নয়ন ও জনসংযোগের কাজ ঠিকমতো করছেন না? ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কাউন্সিলারের কাছ থেকে সেভাবে সাড়া না পাওয়াতেই মানুষ ছোটখাট বিষয়ও মেয়রকে সরাসরি বলতে বাধ্য হচ্ছেন।
অভিযোগ, বেশকিছু ওয়ার্ডে কাউন্সিলারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক কাউন্সিলারকে ওয়ার্ডে দেখা যায় না। বিশেষ করে যারা অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তারা এলাকার কিছু পছন্দের ব্যক্তির উপর ওয়ার্ডের দায়িত্ব দিয়ে বসে রয়েছেন। যদিও মেয়র গৌতম দেব বলেন, মানুষ টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মেয়রকে সহজে পাচ্ছেন। এতে সকলেরই ধারণা হয়ে গিয়েছে, মেয়রকে সরাসরি জানালে দ্রুত কাজ হবে। মেয়রকে কাছের মানুষ মনে করছেন। এখানেই এই অনুষ্ঠানের সার্থকতা। শুধু পুরসভা এলাকাই নয় পঞ্চায়েত এলাকা, অন্য জেলা ও রাজ্য থেকেও মানুষ এই অনুষ্ঠানে তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমাকে ফোন করছেন। তাই কাউন্সিলাররা কাজ করছেন না বলে মানুষ ছোটখাটো বিষয়ে আমাকে ফোন করছেন, এভাবে বিষয়টি আমি দেখছি না।



