পাহাড়ি বাঁকটা ঘুরতেই চোখের সামনে ছাঙ্গু লেক। সমতল থেকে ১২ হাজার ফুট উপরে এই ভিউপয়েন্টে উপচে পড়া পর্যটকদের ভিড়। পাহাড়প্রেমীরা বলেন, ছাঙ্গুর জল বরফ হয়ে গেলেই আসল মজা। তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি। তবে লেকের জল জমুক আর না জমুক, ছাঙ্গুর মজা তো শুধু লেকের জলেই নয়, ইয়াকের পিঠে চড়াতেও। লেকের পাড়ে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে ‘চমরি গাই’। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ, পূর্ব সিকিমের এই ভিউপয়েন্টে এসে স্মৃতিকে ধরে রাখতে ইয়াক রাইডে মজেছেন সকলেই।
Advertisement
মাথায় ইয়া বড় শিং। সেই শিংয়ের আবার কভার। উল দিয়ে বোনা সেই কভারে লেখা ‘আই লাভ ছাঙ্গু’। ছাঙ্গু লেকের পাশে দাঁড়িয়ে প্রায় শ’খানেক বা তারও বেশি ইয়াক। আর সেইসব পাহাড়ি পোষ্যের পিঠে ওঠার জন্য পর্যটকদের ডাকাডাকি করছেন ইয়াক মালিকরা। ‘ছাঙ্গু কা ইয়াদ সাথ লে জাইয়ে, ফটো খিঁচিয়ে।’ ইয়াক নিয়ে যতজন দাঁড়িয়ে রয়েছেন, সকলের মুখেই একই আবদার। কিশোর-কিশোরীদের জন্য রয়েছে ছোট ছোট চমরি গাই। লেকের সামনের রাস্তা পেরিয়ে এই ইয়াক আপনাদের নিয়ে যাবে উল্টোদিকের পাহাড়ের উপরে। তবে বেশিরভাগ পর্যটক শুধু উঠে ছবি তুলছেন। আর ঘুরতে হলেও রাস্তাতেই কয়েক রাউন্ড দিচ্ছেন। চমরি গাইয়ের পিঠে চেপে পাহাড়ে ওঠার সাহস দেখালেন মাত্র কয়েকজনই।
লেকের পাশেই রয়েছে ছাঙ্গু শিবমন্দির। অনেকেই সেখানে দর্শন সেরে ফিরে আসছেন লেকের ধারে। দুই পাহাড়ের কোলে সবুজ জল। পাখির চোখে দেখলে মনে হয়, পাহাড়ের নীচে যেন একটি সবুজ রঙের কেক। ৬০ একরেরও বেশি বিস্তৃত এই লেকের গভীর ৫০ ফুট পর্যন্ত গভীর। বরফঘেরা পাহাড়ের মাঝে ছাঙ্গু লেকের এই নয়নাভিরাম শোভা দৃষ্টিসুখকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
লেকের পাশেই রয়েছে ছাঙ্গু শিবমন্দির। অনেকেই সেখানে দর্শন সেরে ফিরে আসছেন লেকের ধারে। দুই পাহাড়ের কোলে সবুজ জল। পাখির চোখে দেখলে মনে হয়, পাহাড়ের নীচে যেন একটি সবুজ রঙের কেক। ৬০ একরেরও বেশি বিস্তৃত এই লেকের গভীর ৫০ ফুট পর্যন্ত গভীর। বরফঘেরা পাহাড়ের মাঝে ছাঙ্গু লেকের এই নয়নাভিরাম শোভা দৃষ্টিসুখকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।



