প্রিয়ব্রত দত্ত: নাম মাহাত্ম্যে আকর্ষণ তৈরি এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে বক্স অফিসের বৈতরণী পার হওয়ার বহু নজির বাংলা সিনেমায় আছে। ‘বাবা কেন চাকর’, ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’, ‘জামাই নম্বর ওয়ান’— তালিকাটা দীর্ঘ। কিন্তু টানা এগারো শব্দের বড় নাম! এই নজির বাংলা সিনেমার ইতিহাসে সম্ভবত নেই। তরুণ পরিচালক সুদীপ্ত লাহার আসন্ন ছবির নাম ‘কারণ গ্রীস আমাদের দেশ না অথবা ব্লু ব্ল্যাক ও ট্রান্সপারেন্ট হোয়াট’। অভিনয় করেছেন তনুশ্রী চক্রবর্তী, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, গৌরব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।
Advertisement
ছবির নাম রহস্য জিইয়ে রেখে সুদীপ্ত বললেন, ‘আমি চাই শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সিনেমাটা নিয়ে দর্শক একটু ভাবুক। সিনেমার যাবতীয় ব্যাকরণ এখানে ভেঙেছি। অনেক কিছু নতুন ভাবে চেষ্টা করা হয়েছে। সিনেমার নাম নিয়েও তথাকথিত চালু ছকটা ভাঙার চেষ্টা করেছি। ছবিটা দেখার পর মানুষ বুঝতে পারবে কেন এত বড় নাম রাখা হয়েছে।’
অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর কাছে ব্যতিক্রমী বিষয় ও টানটান চিত্রনাট্যই প্রাধান্য পেয়ে এসেছে বরাবর। এই ছবিতে তাঁর অভিনীত চরিত্রটি নিয়ে বললেন, ‘বাস্তব জীবনের গল্প নতুন আঙ্গিকে বলা হয়েছে। আমার অভিনীত চরিত্রের নাম মোনা। ছবির নায়ক সুদীপ্তর দিদি। মোনার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয়। রেগে গিয়ে ফোনে সবার সামনেই ঝগড়া করে। আবার খুশিতে সবাইকে নিয়ে হুল্লোড়ও করে। এতগুলো শেডস আছে বলেই চরিত্রটা অন্যরকম। একদম মেকআপ ছাড়া চরিত্রটায় অভিনয় করে খুব ভালো লেগেছে।’
অনিন্দ্য সেনগুপ্তও ছবিটি নিয়ে আশাবাদী। তাঁর কথায়, ‘আমার চরিত্রের নাম সুদীপ্ত। সিনেমা পরিচালক। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একটি ছবি বানানোর চেষ্টা করছে। এই নির্মাণ পর্বে বিভিন্ন রকম মানুষের সংসর্গে আসার পর সুদীপ্তর মনের উপর যে প্রভাব তৈরি হয়, এই ছবি তারই মনস্তাত্ত্বিক প্রতিফলন।’ পরিচালকের ভাষায়, ‘আমি চাই দর্শক নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে চরিত্রগুলো দেখুক। তাই ছবিতে কোনও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর ও সঙ্গীতের ব্যবহার নেই। সিনেমা একটা স্বাধীন শিল্প। পর্দায় অযথা চমক বা আবেগ তৈরি করতে চাই না। সেকারণেই সাহিত্য থেকে সিনেমা আমি কখনও করব না।’
অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর কাছে ব্যতিক্রমী বিষয় ও টানটান চিত্রনাট্যই প্রাধান্য পেয়ে এসেছে বরাবর। এই ছবিতে তাঁর অভিনীত চরিত্রটি নিয়ে বললেন, ‘বাস্তব জীবনের গল্প নতুন আঙ্গিকে বলা হয়েছে। আমার অভিনীত চরিত্রের নাম মোনা। ছবির নায়ক সুদীপ্তর দিদি। মোনার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয়। রেগে গিয়ে ফোনে সবার সামনেই ঝগড়া করে। আবার খুশিতে সবাইকে নিয়ে হুল্লোড়ও করে। এতগুলো শেডস আছে বলেই চরিত্রটা অন্যরকম। একদম মেকআপ ছাড়া চরিত্রটায় অভিনয় করে খুব ভালো লেগেছে।’
অনিন্দ্য সেনগুপ্তও ছবিটি নিয়ে আশাবাদী। তাঁর কথায়, ‘আমার চরিত্রের নাম সুদীপ্ত। সিনেমা পরিচালক। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একটি ছবি বানানোর চেষ্টা করছে। এই নির্মাণ পর্বে বিভিন্ন রকম মানুষের সংসর্গে আসার পর সুদীপ্তর মনের উপর যে প্রভাব তৈরি হয়, এই ছবি তারই মনস্তাত্ত্বিক প্রতিফলন।’ পরিচালকের ভাষায়, ‘আমি চাই দর্শক নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে চরিত্রগুলো দেখুক। তাই ছবিতে কোনও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর ও সঙ্গীতের ব্যবহার নেই। সিনেমা একটা স্বাধীন শিল্প। পর্দায় অযথা চমক বা আবেগ তৈরি করতে চাই না। সেকারণেই সাহিত্য থেকে সিনেমা আমি কখনও করব না।’



