সংবাদদাতা, দিনহাটা: ওটিপি শেয়ার না করা থেকে ডিজিটাল অ্যারেস্ট, এসব নিয়ে জোর প্রচার চলছে। এরপরেও হুঁশ ফিরছে না সাধারণ মানুষের। ওটিপি শেয়ার করে ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা খোয়ালেন দিনহাটার এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দিনহাটা-২ ব্লকের বামনহাটে বাড়ি বিশ্বজিৎ পালের। বামনহাট বাজারে তাঁর ছোট দোকান।
Advertisement
শনিবার বিকেলে হঠাৎ তাঁর কাছে ফোন আসে। একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে তাঁর এটিএম কার্ড রিনিউয়াল করার জন্য জানানো হয়। তিনি কার্ড রিনিউয়াল করতে রাজি হয়ে যান। ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে তাঁর প্যান কার্ডের ছবি পাঠিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পরে ছয় অঙ্কের একটা সংখ্যা মোবাইলের মেসেজ আকারে আসে। সেই নম্বর জানাতে বিশ্বজিৎবাবু রাজি হননি। অন্যপ্রান্ত থেকে তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয় এটা ওটিপি নয়, ওটিপি এলে দেবেন না। এটা কোড। সরল মনে ওই ব্যক্তিকে ছয় অঙ্কের কোড দিতেই নতুন মেসেজ মোবাইলে আসে। দেখেন, ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা কেটে নেওয়া হল তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে। মেসেজ পেতেই মাথায় বাজ পড়ে। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে যোগাযোগ করেন ব্যাঙ্কের সঙ্গে। ব্যাঙ্ক থেকে পুলিসে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। শনিবার রাতেই সাহেবগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিশ্বজিৎ পাল।
সাহেবগঞ্জ থানা জানিয়েছে, সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো বা এনসিআরবি’র ওয়েবসাইটে বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বজিৎবাবু বলেন, কর্মব্যস্ততার কারণে এটিএম রিনিউয়াল করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। ছয় অঙ্কের নম্বর শেয়ার করতে গিয়েই সর্বনাশ হল। এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। সাহেবগঞ্জ থানার ওসি অজিত শা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।
সাহেবগঞ্জ থানা জানিয়েছে, সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো বা এনসিআরবি’র ওয়েবসাইটে বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বজিৎবাবু বলেন, কর্মব্যস্ততার কারণে এটিএম রিনিউয়াল করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। ছয় অঙ্কের নম্বর শেয়ার করতে গিয়েই সর্বনাশ হল। এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। সাহেবগঞ্জ থানার ওসি অজিত শা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।



