সংবাদদাতা, চাঁচল: বর্ষায় কৃষিজমি প্লাবিত হয়। সময়ে জল নিকাশ না হওয়ায় অনেক সময় পাকা ফসল জমিতেই নষ্ট হয়। এর আগে বহুবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এলাকার চাষিরা। মরা মহানন্দা নদী সংস্কার না হওয়ায় জল নিকাশিতে ব্যাঘাত ঘটছে বলে দাবি চাষিদের। চাঁচলের কলিগ্রাম, মতিহারপুর ও চন্দ্রপাড়া অঞ্চলের ১০টি মৌজার কৃষিজমির জল নিকাশের অন্যতম ব্যবস্থা মাঠ চিরে বয়ে যাওয়া সেই মরা মহানন্দা নদী। যার দৈর্ঘ্য ২০ কিমি। এটি মূল মহানন্দা নদীতে মিশেছে।
Advertisement
চাষিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কাজ না হওয়ায় সময়মতো জল নিকাশ হয় না। সংস্কার না হওয়ায় বছরের পর বছর নদীর গভীরতা কমছে। এমনকী সংকীর্ণ হচ্ছে। কোথাও আবার ঝোঁপ জঙ্গলে বুজে গিয়ে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে নিকাশি ব্যবস্থা। আবার কোথাও কৃষিজমির সঙ্গে নদী ভরাটও হচ্ছে বলে অভিযোগ। এলাকার চাষিদের দাবি কলিগ্রাম, ভগবতীপুর, বগচড়া, ডমাপির, জানিপুর ও বলরামপুর সহ ১০টি মৌজায় দুই ফসলি চাষযোগ্য জমি রয়েছে। মাঠ চিরে বয়ে যাওয়া মরা মহানন্দা নদীর জল বেয়ে মূল মহানন্দা নদীতে পড়ে। এতে বর্ষার সময় জলযন্ত্রণা থেকে বাঁচেন এলাকার চাষীরা। তবে দীর্ঘদিন ধরে মরা মহানন্দা সংস্কার না হওয়ায় নদী তার গতিপথ হারাচ্ছে।
এক চাষি ইন্তাজ হোসেন বলেন, বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি হলে সময়ের মধ্যে জমি থেকে জলনিকাশ হয় না। গত বর্ষায় আমার দুই বিঘা জমির ধান জলে ডুবে নষ্ট হয়েছে। নদী সংস্কারের কাজ করা হলে ফসল বাঁচবে। কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের কারও নজরদারি দেখছি না। বলরামপুরের চাষি জিন্নাহ আলির কথায়, অনেকাংশে মরা মহানন্দা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় কোথাও মাটি ধস নেমে সংকীর্ণ হচ্ছে নদী। এবছর সংস্কার না হলেও আগামীতে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ব আমরা।
যদিও কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজাউল খান বলেন, এর আগে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে কিছুটা এলাকায় সংস্কারের কাজ করা হয়েছিল। এতবড় প্রকল্পের কাজ এখন পঞ্চায়েতের পক্ষে করা অসম্ভব। চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, চাষিদের জন্য রাজ্য সরকার সবসময় ভাবছে। মরা মহানন্দা নদী যাতে সংস্কার করা হয় সেজন্য সেচদপ্তরে প্রস্তাব পাঠাব।
এক চাষি ইন্তাজ হোসেন বলেন, বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি হলে সময়ের মধ্যে জমি থেকে জলনিকাশ হয় না। গত বর্ষায় আমার দুই বিঘা জমির ধান জলে ডুবে নষ্ট হয়েছে। নদী সংস্কারের কাজ করা হলে ফসল বাঁচবে। কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের কারও নজরদারি দেখছি না। বলরামপুরের চাষি জিন্নাহ আলির কথায়, অনেকাংশে মরা মহানন্দা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় কোথাও মাটি ধস নেমে সংকীর্ণ হচ্ছে নদী। এবছর সংস্কার না হলেও আগামীতে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ব আমরা।
যদিও কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রেজাউল খান বলেন, এর আগে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে কিছুটা এলাকায় সংস্কারের কাজ করা হয়েছিল। এতবড় প্রকল্পের কাজ এখন পঞ্চায়েতের পক্ষে করা অসম্ভব। চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, চাষিদের জন্য রাজ্য সরকার সবসময় ভাবছে। মরা মহানন্দা নদী যাতে সংস্কার করা হয় সেজন্য সেচদপ্তরে প্রস্তাব পাঠাব।



