সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহের চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভেঙে পড়ছে ফলস সিলিংয়ের অংশ। রোগীর পরিজনের পাশাপাশি এনিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যেও। হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের ১০ বছরের মধ্যে এমন ঘটনায় কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে হাসপাতালের একটি করিডরে ফলস সিলিং ভেঙে পড়ে। এতে কেউ জখম হয়েছে কি না তা স্পষ্টভাবে জানাতে চায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
রতুয়া, হরিশ্চন্দ্রপুর ও মালতীপুর সহ ছ’টি ব্লক এলাকার মানুষ এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসে। প্রসূতি বিভাগ থেকে শুরু করে প্রতিটি বিভাগেই রোগী ভর্তি থাকে। এভাবে হঠাৎ করে উপর থেকে ফলস সিলিং ভেঙে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মালতীপুরের বাসিন্দা এক রোগীর আত্মীয় উজ্জল রায় বলেন, এখানে আমরা চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসি। এখানেও এসেও যদি রোগীরা দুর্ঘটনার কবলে পড়েন, তা বলার ভাষা থাকে না। দ্রুত ফলস সিলিং ঠিক করা হোক। আরেক রোগীর আত্মীয় চাঁচলের প্রদীপ রায় বলেন, ১০ বছর হল হাসপাতাল ভবন চালু হয়েছে। তার মধ্যেই এমনটা হচ্ছে। নিম্নমানের কাজ হওয়ার জন্যই এই অবস্থা। রোগীর উপরেও সিলিং ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছি। দ্রুত তা সংস্কার করা হোক।
চাঁচল হাসপাতালের সব ওয়ার্ডেই ফলস সিলিং করা হয়েছে। সেই বোর্ডে জল পড়লে নষ্ট হয়ে যায়। এর আগে হাসপাতালের ওয়ার্ডের মেঝে জলে ভরে গিয়েছিল। ফায়ার কানেকশন থেকে জল পড়ে সিলিং নষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সহকারী সুপার আরিফ শাহ বলেন, হাসপাতালের একটি করিডরে সিলিং ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু কেউ জখম হননি। এই অবস্থা নিয়ে আমরাও উদ্বেগে রয়েছি। দ্রুত যাতে সংস্কার করা হয় সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। নিজস্ব চিত্র
চাঁচল হাসপাতালের সব ওয়ার্ডেই ফলস সিলিং করা হয়েছে। সেই বোর্ডে জল পড়লে নষ্ট হয়ে যায়। এর আগে হাসপাতালের ওয়ার্ডের মেঝে জলে ভরে গিয়েছিল। ফায়ার কানেকশন থেকে জল পড়ে সিলিং নষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সহকারী সুপার আরিফ শাহ বলেন, হাসপাতালের একটি করিডরে সিলিং ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু কেউ জখম হননি। এই অবস্থা নিয়ে আমরাও উদ্বেগে রয়েছি। দ্রুত যাতে সংস্কার করা হয় সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। নিজস্ব চিত্র



