নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের ভাতা নিয়ে টানা ২০ দিনের আন্দোলনের জেরে কার্যত বেহাল হয়ে পড়েছিল শহরের পুর পরিষেবা। পুরসভার আশ্বাসে শেষমেশ ২০ ডিসেম্বর অস্থায়ী কর্মীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলেও গত মঙ্গলবার তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বকেয়া টাকা না ঢোকায় এদিন ফের পথ অবরোধে নামেন অস্থায়ী কর্মীরা। তবে দুপুরের পর বকেয়া ভাতা পাওয়ায় কর্মীদের একাংশ কাজে নেমেছে বলে খবর। বড়দিনে বেলা গড়িয়ে গেলেও পুর পরিষেবা না পাওয়ায় নাকাল হন শহরবাসী।
Advertisement
গত ১ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতা মেটানোর দাবিতে একটানা কর্মবিরতি করেছেন চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। ২০ ডিসেম্বর প্রশাসনের তরফে তাঁদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছিল, মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দু’মাসের বকেয়া ভাতা ঢুকে যাবে। সেজন্য রাজ্য সরকার চুঁচুড়া পুরসভাকে ৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস পেয়ে সেদিন আন্দোলন তুলে নিয়েছিলেন অস্থায়ী কর্মীরা। অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত মঙ্গলবার এই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু কারও অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢোকায় বুধবার অস্থায়ী কর্মীরা সকাল ৯টায় চুঁচুড়ার পিপুলপাতি মোড়ে ফের অবরোধ শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। বড়দিনের সকালে পুরকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় আবর্জনা জমে যায় চুঁচুড়া শহরে। এদিন সাফাই, নিকাশির কাজ, এমনকী জল পরিষেবাও বন্ধ রাখেন অস্থায়ী কর্মীরা। আন্দোলনকারীদের বোঝাতে সেখানে যান চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, চুঁচুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা সহ অন্যান্য পুরকর্তারা। পুরসভার তরফ থেকে তাঁদের জানানো হয়, খুঁটিনাটি কারণের জন্য অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে সমস্যা হয়েছে। তবে প্রত্যেকেই দুপুরের পর বকেয়া পেয়ে যাবেন।
জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরের পর সমস্ত অস্থায়ী পুরকর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দু’মাসের বকেয়া ভাতা ঢুকেছে। এরপর কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী সাফাইয়ের কাজে নামলেও বেলা গড়িয়ে যাওয়ায় বাকিরা কাজে নামেননি। ততক্ষণে রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। শহরবাসীর একাংশের অভিযোগ, প্রশাসন ও পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে টালবাহানার জেরে বড়দিনে পুর পরিষেবা থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি। চুঁচুড়ার বাসিন্দা তথা আঞ্চলিক ইতিহাসের গবেষক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পুর পরিষেবা বারবার ব্যাহত হচ্ছে। এটা কাম্য নয়। বড়দিনেও শহরবাসীকে নাস্তানাবুদ হতে হল।’
চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বকেয়া টাকা ঢুকতে সমস্যা হচ্ছিল। সরকার প্রতিশ্রুতি পালনে দায়বদ্ধ। আন্দোলনরত পুর কর্মীরা বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারতেন। তাহলে এদিন পরিষেবা ব্যাহত হতো না। তবে ওঁদের অবস্থাটাও বুঝতে পারছি। শেষমেশ জট কেটেছে।’ পুরসভার কর্মী ইউনিয়নের নেতা অসীম অধিকারী বলেন, ‘২০ দিন ধরে কর্মীরা খালি পেটে আন্দোলন করেছেন। সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি মিললেও তা পূরণ হয়নি। সে কারণেই এদিন তাঁরা পথ অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন।’ চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, ‘বারবার পুরসভার পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। এটা অনভিপ্রেত। পুরকর্তা ও পুরসভার কর্মীদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে হবে। সেই কাজ শুরু হয়েছে।’
জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরের পর সমস্ত অস্থায়ী পুরকর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দু’মাসের বকেয়া ভাতা ঢুকেছে। এরপর কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী সাফাইয়ের কাজে নামলেও বেলা গড়িয়ে যাওয়ায় বাকিরা কাজে নামেননি। ততক্ষণে রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। শহরবাসীর একাংশের অভিযোগ, প্রশাসন ও পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে টালবাহানার জেরে বড়দিনে পুর পরিষেবা থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি। চুঁচুড়ার বাসিন্দা তথা আঞ্চলিক ইতিহাসের গবেষক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পুর পরিষেবা বারবার ব্যাহত হচ্ছে। এটা কাম্য নয়। বড়দিনেও শহরবাসীকে নাস্তানাবুদ হতে হল।’
চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বকেয়া টাকা ঢুকতে সমস্যা হচ্ছিল। সরকার প্রতিশ্রুতি পালনে দায়বদ্ধ। আন্দোলনরত পুর কর্মীরা বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারতেন। তাহলে এদিন পরিষেবা ব্যাহত হতো না। তবে ওঁদের অবস্থাটাও বুঝতে পারছি। শেষমেশ জট কেটেছে।’ পুরসভার কর্মী ইউনিয়নের নেতা অসীম অধিকারী বলেন, ‘২০ দিন ধরে কর্মীরা খালি পেটে আন্দোলন করেছেন। সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি মিললেও তা পূরণ হয়নি। সে কারণেই এদিন তাঁরা পথ অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন।’ চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, ‘বারবার পুরসভার পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। এটা অনভিপ্রেত। পুরকর্তা ও পুরসভার কর্মীদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে হবে। সেই কাজ শুরু হয়েছে।’



