Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কালনায় শতাব্দী প্রাচীন কালী ও শীতলা পুজোয় মাতলেন বাসিন্দারা

কালনায় শতাব্দী প্রাচীন কালী ও  শীতলা পুজোয় মাতলেন বাসিন্দারা
  • ১৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালনা: কালনা ইসবপুর এলাকায় শতাব্দী প্রাচীন কালী ও শীতলা মাতার পুজোয় মাতলেন আট-দশটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। পুজোর উদ্বোধন করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বলিদান প্রথা সহ প্রাচীন রীতি মেনে দিনভর চলে পুজোপাঠ। স্থানীয়দের মতে, প্রতিবছর পুজোর দিন মন্দিরের পাশে কদম গাছে ফুল ফোটে। এবারও গাছের সেই অলৌকিক কদম ফুল দেখতে ভক্তদের ভিড় ছিল দেখার মতো।   

Advertisement

কথিত আছে, একশো বছর আগে কাটোয়ার বাসিন্দা এক ব্রাহ্মণ হেঁটে কালীঘাটে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। কালনার সুলতানপুর পঞ্চায়েতের ইসবপুর গ্রামের উপর দিয়ে যাওয়ার পথে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। গ্রামের একটি গাছতলায় বিশ্রাম নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে যান। ঘুমের মধ্যে তিনি কালী মায়ের স্বপ্নাদেশ পান, কালীঘাটে যেতে হবে না। এই গ্রামেই ঘটে আমায় প্রতিষ্ঠা করে পুজো দিলেই মনবাসনা পূর্ণ হবে। একই সঙ্গে গ্রামে মহামারীর কারণে মা শীতলাদেবীও আরাধ্যা। ওই ব্রাক্ষ্মণ গ্রামেই তালপাতার ছাউনি দেওয়া ঘরে কালী ও শীতলা মায়ের পুজো শুরু করেন। পরবর্তীতে এলাকার জমিদারের জমি দানে ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠে স্থায়ী মন্দির। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দুই মা খুব জাগ্রতদেবী। এবারও ১ বৈশাখ ইসবপুর গ্রামে কালী ও শীতলা মাতার পুজোয় মাতেন ভক্তরা। রয়েছে বলিদান প্রথা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এলাকার বিধায়ক মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের পাঁচ লক্ষাধিক টাকা আর্থিক দানে গড়ে উঠেছে সুন্দর নাটমন্দির। পুজোর পুরোহিত অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কালীঘাটের মায়ের স্বপ্নাদেশে এখানে একশো বছরের বেশি সময় ধরে এই পুজো হয়ে আসছে। নিত্যপুজোর সঙ্গে ১ বৈশাখ বাৎসরিক পুজো হয়। দুই মা গ্রামের মানুষের কাছে আরাধ্যাদেবী। স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণচন্দ্র পাল, উদয় পান বিশ্বনাথ মাঝি বলেন, আশেপাশের আট-দশটি গ্রামের মানুষ পুজো দিতে আসে। হিন্দু-মুসলিম সকলেই এই পুজোয় মেতে ওঠে। পুজো সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে। মন্দিরের উন্নয়নে মন্ত্রী আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।-নিজস্ব চিত্র            

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ