নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শুধু আবিষ্কার করলেই হবে না। হতে হবে ‘ল্যাব টু ল্যান্ড।’ অর্থাৎ মাঠে কৃষকদের কাছে নিয়ে যেতে হবে আবিষ্কারের সুফল। বোঝাতে হবে কৃষকদের। তবেই বাড়বে উৎপাদন। ফলবে নতুন প্রজাতির শস্য। বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ (আইসিএআর)-র ৯৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনই দাওয়াই দিলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। গত এক বছরে আইসিএআর ৪৪টি শস্যের ৩৮৬টি উন্নত মানের বীজ তৈরি করেছে। যার মধ্যে ৯৪ শতাংশই জলবায়ু-সহনশীল। ২৯টি বায়ো ফর্টিফায়েড।
মন্ত্রী বলেন, ‘আবিষ্কার ভালো জিনিস। কিন্তু সেটি যদি আদতে কাজে না লাগে, তাহলে বিজ্ঞানীদের পরিশ্রম বৃথা।’ মন্ত্রীর মন্তব্য, কৃষকরা হলেন কৃষির আত্মা আর বিজ্ঞানীরা হলেন মস্তিষ্ক। তাই চাহিদা ভিত্তিক গবেষণা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, ডাল ও তৈলবীজে স্বনির্ভরতা, গুণমানসম্পন্ন কৃষি শিক্ষা, প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণ এবং কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে উদ্ভাবনের প্রসারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিতে হবে। তবেই আগামী ২০৪৭ সাল হবে বিকশিত ভারত।’ অনুষ্ঠানে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর ও ভগীরথ চৌধুরীর পাশাপাশি মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধশিল্প এবং পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং লালন এবং এই মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী এস পি সিং বাঘেল উপস্থিত ছিলেন।