Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মুর্শিদাবাদের উপদ্রুত অঞ্চলে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

মুর্শিদাবাদের উপদ্রুত এলাকাগুলি থেকে এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানো হবে না। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাখতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওইসব এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

মুর্শিদাবাদের উপদ্রুত অঞ্চলে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ
  • ১৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের উপদ্রুত এলাকাগুলি থেকে এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানো হবে না। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাখতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওইসব এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। 

Advertisement

ওয়াকফ ইস্যুতে ১২ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের একাধিক এলাকায় হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। ওই মামলায় বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য এবং কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট তলব করে। রিপোর্ট জমা পড়েছে উভয়েরই তরফে। রিপোর্ট দিয়ে কেন্দ্র বলেছে, আদালত চাইলে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ তদন্তভার নেবে।  যদিও এদিন বিচারপতি সেন প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রতি জেলায় পুলিস কর্মীর সংখ্যা কম। পুলিসের সংখ্যা অনেক কম মুর্শিদাবাদে। পর্যাপ্ত পুলিস থাকলে পরিস্থিতি হয়তো নিয়ন্ত্রণে আনা যেত।’ তাছাড়া, এই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে রাজ্যের গোয়েন্দাদের কাছে কেন কোনও খবর ছিল না? এই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি।
তাঁর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাহিনী কম গোটা দেশেই। পর্যাপ্ত বাহিনী থাকলে পহেলগাঁওয়ের ঘটনা ঘটত না।’ যদিও রাজ্যের তরফে এদিন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 
সমস্ত পক্ষের রিপোর্ট দেখার পর ৩১ জুলাই পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এলাকার মানুষের সুরক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। একইসঙ্গে বাসিন্দাদের একাংশের দাবি মেনে সেখানে বিএসএফের স্থায়ী ক্যাম্পের বিষয়টি রাজ্য ও কেন্দ্রকে বিবেচনা করার জন্য বলা হল। পরবর্তী শুনানি ৩০ জুলাই।
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে নিহত বাবা-ছেলের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। পুলিসি অতি সক্রিয়তার অভিযোগও ছিল তাদের। সেই মামলা থেকে আগেই সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। বিচারপতি ঘোষের পর বিচারপতি সৌমেন সেনও এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ