সংবাদদাতা বোলপুর: রবীন্দ্রনাথের চীন যাত্রার ১০০ বছর পূর্তির সমাপ্তি অনুষ্ঠান মহাসমারোহে আয়োজিত হল শান্তিনিকেতনে। মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ, কলকাতা দূতাবাসের চীনা কনসাল জেনারেল সু য়েই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ভবনের অধ্যক্ষ মৃণালকান্তি মণ্ডল ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইনিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক মনোরঞ্জন মোহান্তি। ভারত-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ২০২৫ সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথের চীন যাত্রার শতবর্ষের পাশাপাশি এই বছরই দু’দেশের কূটনীতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি। এই দু’টি বিষয়কে মাথায় রেখে বিশ্বভারতী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির আয়োজন করে। বিশ্বভারতীর চীনা ভবন ও কলকাতার চীনা কনস্যুলেট অফিস যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর চীন থেকে আগত ১২ জন চীনা রবীন্দ্র গবেষক রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন। এছাড়া দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলাররাও এই দু’দিনের সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে যে ক’জন উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অন্যতম। ১৯২৪ সালে প্রথমবার তিনি চীন যাত্রা করেছিলেন। তারপর থেকেই চীনের সঙ্গে ভারতের শিক্ষা, সংস্কৃতি প্রভৃতি বিষয়ে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিশ্বভারতীতে চীনা ভবন প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কও অন্য মাত্রা পায়। সেই ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চীনা ভবনের বিভাগীয় প্রধান অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শতবর্ষ উদযাপন সমাপ্ত হবে।



