• আবেগে, আন্তরিকতায় উত্তমকুমারের প্রাক শতবর্ষ উদযাপনে শামিল হলেন মহানায়কের পরিবারের সদস্যরা। উত্তমকুমার স্মৃতিরক্ষা কমিটির উদ্যোগে ভবানীপুরে উত্তম উদ্যানে আয়োজিত হয় এই অনুষ্ঠান। মহানায়কের পরিবারের সদস্যরা মঞ্চস্থ করেন শ্রুতি নাটক ‘প্রিন্স চার্মিং’। নাচে, গানে, অভিনয়ে, কথায় উত্তমকুমারের অজানা দিক উন্মোচন করেন চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা। কোন উত্তমকে বেশি ভালো লাগে? রোমান্টিক নাকি, একাধিক নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করা ব্যতিক্রমী উত্তম? আলোচনায় উঠে এল কমেডি ছবির উত্তমকুমারই বেশি আকর্ষণীয়। ফলে রানু ভট্টাচাৰ্য রচিত শ্রুতিনাট্যে ঠাঁই পেয়েছে ‘মৌচাক’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’, ‘ছদ্মবেশী’র মতো কমেডি ছবির নানা দৃশ্য। অভিনয়ে, নাচে, গানে অ়ংশ নিলেন উত্তমকুমারের দুই নাতনি নবমিতা ও মৌমিতা। মহানায়ককে নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন উত্তমকুমারের প্রপৌত্র অনুরাগ দত্ত। নৃত্য পরিকল্পনা ও পরিবেশনে ছিলেন উত্তমকুমারের নাতবৌ দেবলীনা কুমার।



