Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

পরীক্ষার তথ্য নিজের হাতে নিল সিবিএসই, বিতর্কের পরও পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব রইল অসুরক্ষিত কোয়েম্পটের কাছে

সিবিএসই পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য নিজের হাতে নিয়েছে। বিতর্কিত কোয়েম্পটের কাছে পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব রইল। বিস্তারিত জানুন।

পরীক্ষার তথ্য নিজের হাতে নিল সিবিএসই, বিতর্কের পরও পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব রইল অসুরক্ষিত কোয়েম্পটের কাছে
  • ৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অসুরক্ষিত হওয়ার পরও পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব রইল বিতর্কিত সংস্থা কোয়েম্পট এডুটেক লিমিটেডই। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন বা সিবিএসই। তবে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় কোয়েম্পটের কাছে থাকা পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য (অন স্ক্রিন মার্কিং ব্যবস্থা) নিজেদের হাতে নিয়ে নিল বোর্ড। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত শীর্ষ এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পুনর্মূল্যায়নের জন্য উত্তরপত্র ফের খতিয়ে দেখতে বা স্ক্যান করতে পারবে কোয়েম্পট। 

Advertisement

এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, পরীক্ষার্থীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এই সংস্থা। একের পর এক সাইবার হানা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন তাদেরকেই পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্বে বহাল রাখছে বোর্ড? এই নিয়ে বোর্ডের এক আধিকারিকের সাফাই, প্রায় ৪০ কোটি পাতা স্ক্যান করা হয়েছে। তারমধ্যে মাত্র ৩০ হাজারে সমস্যা দেখা দিয়েছে। পুনর্মূল্যায়নে শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ পাতাগুলিকেই খতিয়ে দেখা হবে। তাই এতে কোনো সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না। 
জানা গিয়েছে, কোয়েম্পটকে স্ক্যানিংয়ের দায়িত্বে রাখলেও সমস্ত উত্তরপত্র ও সেসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নিজেদের সার্ভারে সরিয়ে নিয়েছে সিবিএসই। এতে তৃতীয় পক্ষের উপর নির্ভরতা কমবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার প্রশ্নেও অনেকটা নিশ্চিত থাকা যাবে। এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।  প্রসঙ্গত, এবার সিবিএসইর রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে বহু পরীক্ষার্থী র্মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ৪ জুন পর্যন্ত ফলাফল সংক্রান্ত ৭০ হাজার ৪৩৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে বোর্ডের কাছে। বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী ফলাফল নিয়ে সরব হওয়া ও সাইবার হানার বিষয়টি নজরে আসতেই আইআইটি কানপুর ও মাদ্রাজের টিমকে বিষয় খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তাতে জানা যায়, বিগত প্রায় ১০ দিন ধরে হ্যাকাররা সিবিএসইর রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল ও অন স্ক্রিন মার্কিং পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থায় নাক গলাচ্ছে। সূত্রে খবর, ক্লাউড স্টোরেজে সাইবার হানা হলেও কোনো তথ্য বেহাত হয়নি।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ