সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: মহারাষ্ট্রের ওরঙ্গাবাদের অজন্তা-ইলোরার গুহাচিত্রের দেখা মিলবে এবার ময়নাগুড়িতে। ময়নাগুড়ির আনন্দনগরপাড়ায় অবস্থিত বিবেকানন্দ ক্লাবে এবার তুলে ধরা হচ্ছে অজন্তা-ইলোরার গুহাচিত্র। পুজোর মণ্ডপ তৈরি করছেন আনন্দনগরের বুম্বা দেব গুপ্ত। গত এক মাস ধরে ১৪ জন কর্মী এই মণ্ডপ তৈরির কাজ করছেন।
এবছর বিবেকানন্দ ক্লাবের পুজো কমিটির সভাপতি রয়েছেন পার্থসারথি ঘোষ। সহ সভাপতি সঞ্জীব দত্ত। যুগ্ম সম্পাদক রাজেশ চক্রবর্তী ও সুদীপ বিশ্বাস। কোষাধক্ষ্য রয়েছেন বিপ্লব সাহা। বিবেকানন্দ ক্লাবের পুজোর এবার ৫৫তম বর্ষ। প্রতি বছর বিবেকানন্দ ক্লাব জলপাইগুড়ি জেলা বাসীকে বিগবাজেটের পুজো উপহার দিয়ে থাকে। এবছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ক্লাবের সামনে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। কাঠ, বাঁশ, প্লাইউড, সোয়েট, ফাইবার গ্লাস সহ নানা সামগ্রী দিয়ে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। জোরকদমে কাজ চলছে। চতুর্থীর দিন কাজ শেষ হয়ে যাবে।
মণ্ডপশিল্পী বুম্বা দেব গুপ্ত বলেন, মণ্ডপে প্রবেশের মুখে থাকবে গজরাজ। পাশাপাশি এখানে এলে দেখা যাবে অজন্তা-ইলোরার গুহাচিত্র। এছাড়াও থাকছে বড় ঝর্না। পাশাপাশি মহাকাল, ভৈরবী কালী এবং গণেশের মূর্তি দেখা যাবে। হাতের প্রচুর কাজ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। এই পুজো দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে আমার আশা।
পুজো কমিটির সদস্য প্রদীপ দে বলেন, আমরা প্রতি বছর নতুন কিছু ময়নাগুড়ি তথা জেলার দর্শনার্থীদের উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। আশা করছি এবছর আমাদের পুজোর থিম সবারই ভালো লাগবে। পুজো কমিটির সম্পাদক রাজেশ চক্রবর্তী বলেন, এবছর আমাদের থিম ‘চলো ফিরে দেখি’। পৌরাণিক শিব মন্দির ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আমাদের লাইটের কাজে থাকছেন শিলিগুড়ি শিল্পী। মায়ের মূর্তি তৈরি করছেন টেকাটুলির হরেকিশোর রায়। চতুর্থীতে আমাদের পুজো উদ্বোধন করার ইচ্ছে রয়েছে। আমরা ভিক্ষাজীবীদের দিয়ে পুজোর উদ্বোধন করব। অষ্টমীতে ভোগ বিতরণের পাশাপাশি সমাজ সেবামূলক কাজ করা হবে।



