Bartaman Logo
২৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তাণ্ডবের অভিযোগ, মালা রায় সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু

তৃণমূলের এমপি মালা রায় ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের অস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ  উঠেছে। ভোটের ফল বেরোনোর দিন অর্থাৎ ৪ মে  সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে টালিগঞ্জ থানা এলাকায়।

তাণ্ডবের অভিযোগ, মালা রায় সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু
  • ৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: তৃণমূলের এমপি মালা রায় ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের অস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ  উঠেছে। ভোটের ফল বেরোনোর দিন অর্থাৎ ৪ মে  সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে টালিগঞ্জ থানা এলাকায়।  বিজেপি কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে টালিগঞ্জ থানা মালা রায় সহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, মারধর, ভয় দেখানো, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক ধারায় কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। 

Advertisement

সাধু তারাচরণ রোডের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী রাজেশ পাসোয়ান পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, ভোটের ফল বেরোনোর পর সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ মালা রায়ের নেতৃত্বে জনা ২৩ তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হন। তাঁদের প্রত্যেকের হাতে ছিল রড,লাঠি এবং বাঁশ। রাজেশের দাবি, রানা মান্না ওরফে গোলু নামে এক তৃণমূল সমর্থকের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। বিজেপি জেতায় কর্মী সমর্থকরা আনন্দ করছিলেন। অভিযোগ, এই সময় মালা রায় ও তাঁর দলবল চড়াও হয় বিজেপি কমীদের উপর। তৃণমল কর্মীরা বলতে থাকেন, জিতেছিস তো কী হয়েছে! তোদের শায়েস্তা করতে এসেছি। এরপর আচমকাই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালায় বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে। তাঁদের রড, লাঠি দিয়ে বেধড়র মারধর করতে থাকে। যার নেতৃত্ব দেন মালা রায়। এতে তাঁদের অনেকেই আহত হন। গোলমালের সময় রানা মান্না নামে এক তৃণমূল কর্মী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের ভয় দেখায়। জানা গিয়েছে, রাজেশ পাসোয়ানের পরিবারের মহিলাদের উপর চড়াও হয় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এমনকি সেখানে হাজির বিজেপির মহিলা সমর্থকদের উপরও হামলা করে। তাঁদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা প্রতিবাদ করলে এলাকা ছেড়ে পালায় তৃণমূলের লোকজন। এরপরই বিজেপির কর্মী রাজেশ থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ মালা রায় সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, মারধর সহ একাধিক ধারায় কেস রুজু করে। এফআইআরে প্রথমেই নাম রয়েছে মালা রায়ের। এমপির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে এমপি মালা রায়ের বক্তব্য, পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানে।  বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই সব করে বেড়াচ্ছে। এলাকায় দিনের বেলায় মদ, গাঁজা খায় তার প্রতিবাদ ৩৪ বছর ধরে করছি জনপ্রতিনিধি হিসেবে। ভবিষ্যতেও করব। অসামাজিক রাজনীতি পছন্দ করিনা। আইনি মোকাবিলা করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ