নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিএবি’র সচিব, যুগ্মসচিব এবং অ্যাপেক্স কমিটির একটি পদের নির্বাচন যে পিছতে চলেছে, তা বোঝা গিয়েছিল সোমবার। তা আরও স্পষ্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিএবি সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির কথায়, ‘নির্বাচন হবে না বলেই মনে হচ্ছে।’ বুধবার মনোনয়ন জমার শেষ দিন। কোনো মনোনয়ন জমা না পড়লে নির্বাচন প্রক্রিয়া বাতিল হবে। তবে হতে পারে বার্ষিক সাধারণ সভা। সংবিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করতে হয়। তাই সাংবিধানিক সংকট দেখা দিতে পারে। আপাতত বেশ কিছুদিন সচিব ছাড়াই চলবে সিএবি। ক্রিকেটমহলের একাংশের মতে, জেলাশাসকদের দেওয়া চিঠি উপলক্ষ্য। সিএবি’র নির্বাচন নিয়ে জলঘোলা চাইছে না রাজ্য সরকার। শাসক দলের একাধিক নেতা, বিধায়ক সিএবি’তে প্রবেশে মরিয়া। তা ঠেকাতেও নির্বাচন পিছানো একটি কৌশল। বিরোধী শিবির যেভাবে ঘুঁটি সাজিয়েছিল, তাতে শাসক গোষ্ঠীর পক্ষে লড়াই যদিও কঠিন হত। এদিকে, সিএবি নির্বাচন সংক্রান্ত নথি পাঠানো নিয়ে একটি ক্যুরিয়র সংস্থার দুই কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। এই মামলায় সিএবি’তে তদন্তে গিয়েছিল পুলিশ।



