সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাঙ্ক ক্রোক করেছিল সম্পত্তি। কিন্তু, রাতারাতি জালিয়াতি করে অন্যের নামে সেই সম্পত্তি দানপত্র করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইন্দাসের একটি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার অন্তর্গত বোঁয়াইয়ে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের তরফে ওই মর্মে ইন্দাস থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বোঁয়াই শাখার ম্যানেজার প্রবীণ কুমার বলেন, ১৫ লক্ষ টাকা ঋণ পরিশোধ না করায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঋণ গ্রহিতার সম্পত্তির দখল নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, ওই সম্পত্তি নিলামে উঠতেই দেখা যায় দখল নেওয়ার পাঁচদিনের মধেই তা অন্যের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। পরের দিনই নতুন ব্যক্তির নামে রেকর্ডভুক্ত হয়ে গিয়েছে। আমরা উক্ত জমির প্রকৃত মালিকদের বিরুদ্ধে পুলিসের কাছে জালিয়াতির অভিযোগ জানিয়েছি।
ইন্দাসের বিএলএলআরও নীলকমল কর বলেন, জালিয়াতি করে জমির রেকর্ড করার অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে ইন্দাস থানা এলাকার এক ব্যক্তি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বোঁয়াই শাখা থেকে বাড়ি তৈরির জন্য ১৫ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। তাতে ঋণ গ্রহিতার বাবার নামে বাড়ি সহ পাঁচ শতক জমির দলিল মর্টগেজ হিসেবে ব্যাঙ্কে রাখা হয়। কিন্তু, বারবার নোটিস করা সত্ত্বেও তিনি ঋণ পরিশোধ করেননি। পরবর্তীকালে জমির মালিকের মৃত্যু হওয়ায় ঋণ গ্রহিতা ছেলে এবং অপর দুই উত্তরাধিকারী স্ত্রী এবং মেয়ের কাছেও একাধিকবার নোটিস পাঠানো হয়। কোনও সাড়া না পাওয়ায় চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ্ক ওই সম্পত্তির দখল নেয়। এরপরেই ঋণ গ্রহিতা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিতে আসরে নামে। দখল নেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় ওই সম্পত্তি তাঁরই এক আত্মীয়কে দানপত্র করে দেয়। শুধু তাই নয়, পরের দিনই তাঁর নামে ওই জমির রেকর্ডও করানো হয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ওই সম্পত্তি নিলামে ওঠাতে গিয়ে উক্ত জমির মালিকানা বদলের বিষয়টি বুঝতে পারে। ব্যাঙ্ক বুঝতে পারে, বঞ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি করা হয়েছে। তারপরেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ঋণ গ্রহিতা সহ উক্ত জমির অপর দুই উত্তরাধিকারী অর্থাৎ গ্রহিতার মা এবং বোনের বিরুদ্ধে ইন্দাস থানায় এফআইআর দায়ের করে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ইন্দাসের বিএলএলআরও নীলকমল কর বলেন, জালিয়াতি করে জমির রেকর্ড করার অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে ইন্দাস থানা এলাকার এক ব্যক্তি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বোঁয়াই শাখা থেকে বাড়ি তৈরির জন্য ১৫ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। তাতে ঋণ গ্রহিতার বাবার নামে বাড়ি সহ পাঁচ শতক জমির দলিল মর্টগেজ হিসেবে ব্যাঙ্কে রাখা হয়। কিন্তু, বারবার নোটিস করা সত্ত্বেও তিনি ঋণ পরিশোধ করেননি। পরবর্তীকালে জমির মালিকের মৃত্যু হওয়ায় ঋণ গ্রহিতা ছেলে এবং অপর দুই উত্তরাধিকারী স্ত্রী এবং মেয়ের কাছেও একাধিকবার নোটিস পাঠানো হয়। কোনও সাড়া না পাওয়ায় চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ্ক ওই সম্পত্তির দখল নেয়। এরপরেই ঋণ গ্রহিতা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিতে আসরে নামে। দখল নেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় ওই সম্পত্তি তাঁরই এক আত্মীয়কে দানপত্র করে দেয়। শুধু তাই নয়, পরের দিনই তাঁর নামে ওই জমির রেকর্ডও করানো হয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ওই সম্পত্তি নিলামে ওঠাতে গিয়ে উক্ত জমির মালিকানা বদলের বিষয়টি বুঝতে পারে। ব্যাঙ্ক বুঝতে পারে, বঞ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি করা হয়েছে। তারপরেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ঋণ গ্রহিতা সহ উক্ত জমির অপর দুই উত্তরাধিকারী অর্থাৎ গ্রহিতার মা এবং বোনের বিরুদ্ধে ইন্দাস থানায় এফআইআর দায়ের করে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



