নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: বাড়ি পুরুলিয়া জেলার ঝাড়খণ্ড সীমানাঘেঁষা গ্রামে। কিন্তু অ্যাকাউন্ট রয়েছে ঝাড়খণ্ডের ব্যাঙ্কে। আবাস যোজনার বাড়ি পেয়েছেন। কিন্তু যেহেতু ভিনরাজ্যের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাই বাড়ি তৈরির টাকা পাচ্ছেন না। একটি-দু’টি নয়, জেলাজুড়ে এরকম উপভোক্তার সংখ্যা কয়েকশো। বিষয়টি নজরে আসতেই সেইসব উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে সমস্যার সমাধানে তত্পর পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই সেইসব উপভোক্তাদের দিয়ে এরাজ্যের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলানো হচ্ছে। তারপর সেই নথি বিডিও অফিসে জমা দিলেই উপভোক্তাদের প্রথম কিস্তির টাকা মিটিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।
Advertisement
পুরুলিয়ার জেলাশাসক রজত নন্দা বলেন, এধরনের একটি সমস্যা দেখা দিয়েছিল। আবাস উপভোক্তা, কিন্তু এরাজ্যের কোনও ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট নেই। বিষয়টি সমাধানের জন্য ব্লকগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, একাধিক ঝাড়াই বাছাইয়ের পর ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে পুরুলিয়া জেলায় মোট প্রায় ৯৫হাজার ৫৫২জন ‘যোগ্য’ উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করেছে জেলা প্রশাসন। সেই তালিকা থেকে মোট ৩৯ হাজার ৩৫৮ জন উপভোক্তার জন্য প্রথম কিস্তির টাকা পাঠায় রাজ্য। প্রথম কিস্তিতে বরাদ্দ ৬০হাজার টাকা। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৭২০ জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। ৬৩৮জন উপভোক্তা এখনও টাকা পাননি। প্রশাসনের আধিকারিকদের দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেও টাকা না ঢোকা উপভোক্তার সংখ্যাটা তিন হাজারেরও বেশি ছিল। তবে জেলা প্রশাসন তত্পরতার সঙ্গে তা সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, উপভোক্তারা টাকা না পাওয়ার অন্যতম একটি কারণ ছিল ভিনরাজ্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। মূলত বাঘমুণ্ডি, বরাবাজার, বান্দোয়ান, ঝালদা-১ এইসব ব্লকে এই সমস্যা বেশি করে দেখা দেয়। বিষয়টি প্রথম জেলার আধিকারিকদের নজরে আনেন বাঘমুণ্ডি ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। ওই পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মানস মেহেতা বলেন, বাঘমুণ্ডির তুনতুড়ি-সুইসা, সেরেংডি প্রভৃতি ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া এলাকার বহু আবাস উপভোক্তার এরাজ্য কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টই ছিল না। তাঁরা সবাই ঝাড়খণ্ডের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি জমা দিয়েছিলেন। নথি যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। তাঁদের টাকা আটকে যায়। উপভোক্তাদের এরাজ্যের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়। তারপর সেই অ্যাকাউন্টে টাকা ছাড়তে শুরু করে প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, এছাড়াও কিছু উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার পর মারা গিয়েছেন। কিছুজনের আধার কার্ডের সমস্যা আছে, কারও ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টই নেই, এরকমও নানাবিধ সমস্যা আছে। সেই কারণেও অনেক উপভোক্তার সরকারি বাড়ি পাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে টাকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। জেলা পরিষদের সেক্রেটারি উজ্জ্বলকুমার মণ্ডল বলেন, আবাস নিয়ে যাবতীয় সমস্যা সমাধানের দ্রুত চেষ্টা করছি আমরা। যদি কোনও উপভোক্তা বাড়ি পাওয়া সত্ত্বেও পর্যাপ্ত নথি জমা দিতে না পারেন তাহলে তাঁর ব্যাঙ্কে টাকা পৌঁছবে না। সেক্ষেত্রে প্রকৃত আবাস প্রাপকের যে তালিকা রয়েছে, সেই তালিকা ধরে অন্য উপভোক্তাদের সেই টাকা দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, একাধিক ঝাড়াই বাছাইয়ের পর ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে পুরুলিয়া জেলায় মোট প্রায় ৯৫হাজার ৫৫২জন ‘যোগ্য’ উপভোক্তার তালিকা চূড়ান্ত করেছে জেলা প্রশাসন। সেই তালিকা থেকে মোট ৩৯ হাজার ৩৫৮ জন উপভোক্তার জন্য প্রথম কিস্তির টাকা পাঠায় রাজ্য। প্রথম কিস্তিতে বরাদ্দ ৬০হাজার টাকা। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৭২০ জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। ৬৩৮জন উপভোক্তা এখনও টাকা পাননি। প্রশাসনের আধিকারিকদের দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেও টাকা না ঢোকা উপভোক্তার সংখ্যাটা তিন হাজারেরও বেশি ছিল। তবে জেলা প্রশাসন তত্পরতার সঙ্গে তা সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, উপভোক্তারা টাকা না পাওয়ার অন্যতম একটি কারণ ছিল ভিনরাজ্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। মূলত বাঘমুণ্ডি, বরাবাজার, বান্দোয়ান, ঝালদা-১ এইসব ব্লকে এই সমস্যা বেশি করে দেখা দেয়। বিষয়টি প্রথম জেলার আধিকারিকদের নজরে আনেন বাঘমুণ্ডি ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। ওই পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মানস মেহেতা বলেন, বাঘমুণ্ডির তুনতুড়ি-সুইসা, সেরেংডি প্রভৃতি ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া এলাকার বহু আবাস উপভোক্তার এরাজ্য কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টই ছিল না। তাঁরা সবাই ঝাড়খণ্ডের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি জমা দিয়েছিলেন। নথি যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। তাঁদের টাকা আটকে যায়। উপভোক্তাদের এরাজ্যের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়। তারপর সেই অ্যাকাউন্টে টাকা ছাড়তে শুরু করে প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের দাবি, এছাড়াও কিছু উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার পর মারা গিয়েছেন। কিছুজনের আধার কার্ডের সমস্যা আছে, কারও ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টই নেই, এরকমও নানাবিধ সমস্যা আছে। সেই কারণেও অনেক উপভোক্তার সরকারি বাড়ি পাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে টাকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। জেলা পরিষদের সেক্রেটারি উজ্জ্বলকুমার মণ্ডল বলেন, আবাস নিয়ে যাবতীয় সমস্যা সমাধানের দ্রুত চেষ্টা করছি আমরা। যদি কোনও উপভোক্তা বাড়ি পাওয়া সত্ত্বেও পর্যাপ্ত নথি জমা দিতে না পারেন তাহলে তাঁর ব্যাঙ্কে টাকা পৌঁছবে না। সেক্ষেত্রে প্রকৃত আবাস প্রাপকের যে তালিকা রয়েছে, সেই তালিকা ধরে অন্য উপভোক্তাদের সেই টাকা দেওয়া হবে।



