সংবাদদাতা, বর্ধমান: বর্ধমান শহরের বৈদ্যনাথ কাটরায় পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনায় ধৃত বিহারের কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজীবকুমার সিং ওরফে পুল্লুর জামিন মঞ্জুর করলেন জেলা জজ। গত ১৬ জানুয়ারি বিহারের বেউর জেল থেকে তাকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের প্রয়োজনে তাকে ১৪দিন হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় সিআইডি। রাজীবকে ছ’দিন সিআইডি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় সিজেএম আদালত। যদিও তাকে হেফাজতে নিয়ে ডাকাতির বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি সিআইডির গোয়েন্দারা। হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের আদালতে পেশ করা হলে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিজেএম। সেই থেকে রাজীব জেলে রয়েছে। জামিন পেতে সে জেলা আদালতে আবেদন করে। বুধবার সেই আবেদনের শুনানি হয়।
Advertisement
রাজীবের আইনজীবী পার্থ হাটি জামিনের সওয়ালে বলেন, কোনও রকম তথ্য ছাড়াই এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে বিভিন্নজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তেমন কোনও তথ্য পায়নি সিআইডি। রাজীবকে দ্বিতীয়বার হেফাজতে নিতে চেয়ে সিআইডির তরফে আবেদনও জানানো হয়নি। তাছাড়া ঘটনার সময় দু’টি মামলায় রাজীব বেউর জেলে ছিল। সেখানে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডির গোয়েন্দারা। ব্যাঙ্ক ডাকাতিতে রাজীবের জড়িত থাকার বিষয়ে তেমন কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য গোয়েন্দারা দেখাতে পারেননি।
সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন। দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর সিআইডি যে ধৃতের বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য পেশ করতে পারেনি, তা জানিয়ে সপ্তাহে দু’দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরার শর্তে রাজীবের জামিন মঞ্জুর করেন জেলা জজ সুজয় সেনগুপ্ত। পাশাপাশি অন্য মামলায় সে জেলে থাকলে সেখানে গিয়ে তদন্তকারী অফিসার যে কোনও সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদেশে জানিয়েছেন জেলা জজ। বেউর জেল থেকে এ রাজ্যে রাজীবকে আনতে পারাকে তাদের সাফল্য বলে দাবি করেছিল সিআইডি। রাজীব বিহারে কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত। একসময় সে বিহারের অপরাধ জগতের বেতাজ বাদশা সুবোধ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করত। পরে সে আলাদা দল গড়ে। ব্যাঙ্ক ডাকাতি ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় স্বর্ণ বিপণীতে লুটপাট চালানোতেও রাজীব জড়িত বলে জানা গিয়েছে। এ ধরনের কুখ্যাত দুষ্কৃতী জামিন পেয়ে যাওয়াকে সিআইডির ব্যর্থতা বলেই মনে করছেন আইনজীবী মহল।
সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। লকার খুলে ভল্ট থেকে ডাকাতরা ৩২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১০০ টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। শুধু টাকা নয়, ডাকাত দলটি রাউটার, মোডেম, সিসি টিভির স্যুইচ ও ব্যাঙ্কের এক কর্মীর মোবাইল ফোন নিয়ে চম্পট দেয়। ঘটনার দিনই ব্যাঙ্কের চিফ ম্যানেজার কুন্দন কিশোর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন। দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর সিআইডি যে ধৃতের বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য পেশ করতে পারেনি, তা জানিয়ে সপ্তাহে দু’দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরার শর্তে রাজীবের জামিন মঞ্জুর করেন জেলা জজ সুজয় সেনগুপ্ত। পাশাপাশি অন্য মামলায় সে জেলে থাকলে সেখানে গিয়ে তদন্তকারী অফিসার যে কোনও সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদেশে জানিয়েছেন জেলা জজ। বেউর জেল থেকে এ রাজ্যে রাজীবকে আনতে পারাকে তাদের সাফল্য বলে দাবি করেছিল সিআইডি। রাজীব বিহারে কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত। একসময় সে বিহারের অপরাধ জগতের বেতাজ বাদশা সুবোধ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করত। পরে সে আলাদা দল গড়ে। ব্যাঙ্ক ডাকাতি ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় স্বর্ণ বিপণীতে লুটপাট চালানোতেও রাজীব জড়িত বলে জানা গিয়েছে। এ ধরনের কুখ্যাত দুষ্কৃতী জামিন পেয়ে যাওয়াকে সিআইডির ব্যর্থতা বলেই মনে করছেন আইনজীবী মহল।
সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। লকার খুলে ভল্ট থেকে ডাকাতরা ৩২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১০০ টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। শুধু টাকা নয়, ডাকাত দলটি রাউটার, মোডেম, সিসি টিভির স্যুইচ ও ব্যাঙ্কের এক কর্মীর মোবাইল ফোন নিয়ে চম্পট দেয়। ঘটনার দিনই ব্যাঙ্কের চিফ ম্যানেজার কুন্দন কিশোর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।



