নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি সংখ্যক মহিলাকে ‘লাখপতি দিদি’ হিসেবে বেছে নিল নদীয়া জেলা প্রশাসন। নদীয়া জেলার ২ লক্ষ ২৭ হাজার মহিলাকে সেই তালিকায় বাছাই করা হয়েছে। মূলত স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকেই মহিলাদের বাছাই করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলারা নাম ‘লাখপতি দিদি’ হিসেবে রেজিস্টার করা হয়েছে। এবার তালিকা তৈরি করে, তাদের ব্যবসার উপর নজর রাখবে প্রশাসন। পাশাপাশি তাদের ব্যবসা কী করে আরও বাড়ে, তাই নিয়েও লাখপতি দিদির সঙ্গে আলোচনা করবে প্রশাসন। ব্যাঙ্ক লোনের প্রয়োজন পড়লে তারও ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে প্রশাসনের তরফ থেকে। সবমিলিয়ে লাখপতি দিদিদের সমস্ত রকমভাবে বিশেষ পরিষেবা প্রদান করে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
Advertisement
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘চলতি অর্থবছরে নদীয়া জেলায় ২ লক্ষ ৫ হাজার ‘লাখপতি দিদি’ করার টার্গেট দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে মহিলাদের বাছাই করা হয়। মূলত যাঁদের ব্যবসা আগে থেকে একটু ভালো ছিল, তাঁদেরকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্য থেকে লাখপতি দিদি বাছাই করা হয়েছে। এবার তাঁদের ব্যবসার উপর আমরা নজর রাখছি। প্রশাসনের তরফ থেকে সমস্ত রকম সাহায্য করা হবে।’
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার ‘ন্যাশনাল রুরাল লাইভলিহুড মিশন’ প্রকল্প চালু করেছে। সেই প্রকল্পের সাহায্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জীবিকার কী ধরনের পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহ্নিত করাই এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উদ্দেশ্য। সেই সমীক্ষার কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। গোটা রাজ্যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ভালো আয় করছেন, যা অত্যন্ত তা ইতিবাচক বলেই মনে করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, অনেক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা বিভিন্ন কাজকর্মের মাধ্যমে মাস গেলে মোটা টাকা উপার্জন করছেন। কেউ আছেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, কেউ আবার সরকারি সাহায্য নিয়ে অথবা স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে লাখপতি হয়েছেন। এসব কারণে গ্রামগঞ্জের বহু পরিবারে এখন এই স্বনির্ভর মহিলারাই সংসারের হাল ধরেছেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার ‘ন্যাশনাল রুরাল লাইভলিহুড মিশন’ প্রকল্প চালু করেছে। সেই প্রকল্পের সাহায্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জীবিকার কী ধরনের পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহ্নিত করাই এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উদ্দেশ্য। সেই সমীক্ষার কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। গোটা রাজ্যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ভালো আয় করছেন, যা অত্যন্ত তা ইতিবাচক বলেই মনে করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, অনেক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা বিভিন্ন কাজকর্মের মাধ্যমে মাস গেলে মোটা টাকা উপার্জন করছেন। কেউ আছেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, কেউ আবার সরকারি সাহায্য নিয়ে অথবা স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে লাখপতি হয়েছেন। এসব কারণে গ্রামগঞ্জের বহু পরিবারে এখন এই স্বনির্ভর মহিলারাই সংসারের হাল ধরেছেন।



