নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কৃষ্ণনগরের একটি প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে সাড়া জাগানো হিন্দি সিনেমা ‘পুষ্পা-২’। গা গরম করা সংলাপে হাততালি, শিসে মুখর গোটা হল। তার মধ্যেই হাতে টর্চ নিয়ে গটগট করে হলে প্রবেশ গোয়েন্দাদের। তখন দর্শকাসনে বসে তাড়িয়ে তাড়িয়ে ওই দৃশ্য উপভোগ করছিল যুবকটি। সেখান থেকে তাকে পাকড়াও করে সটান বেরিয়ে আসেন লালবাজারের দুঁদে গোয়েন্দারা। ওই যুবকের ব্যাগ থেকে মিলেছে ৩৩ লক্ষ টাকার কাঁচা সোনা।
Advertisement
অলঙ্কার তৈরির কারখানা থেকে প্রায় ৪৪ ভরি সোনা নিয়ে চম্পট দিয়েছিল সে। পুলিসের নজর এড়াতে রবিবার সকালে কৃষ্ণনগরের এক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখার নাম করে গা ঢাকা দিয়েছিল সে। তদন্তে নেমে হলের ভিতরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল লালবাজারের অ্যান্টি বার্গলারি স্কোয়াড। অভিযুক্তের নাম দিলীপ মোদক। কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা সে। তার কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা নগদ ও খোয়া যাওয়া সোনা উদ্ধার করেছে পুলিস।
২৩ অক্টোবর ভরসন্ধ্যায় মুচিপাড়া থানার দ্বারস্থ হন এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। নাম বিপুল কর্মকার। তাঁর অভিযোগ, তাঁর কারখানার এক কর্মচারী দিলীপ মোদক সোনা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, খোয়া যাওয়া সোনার ওজন ৪৪১ গ্রাম। তা দিয়ে বালা ও কানের দুল তৈরির কথা ছিল। ওই গয়না বানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দিলীপকে। ঘটনার দিন দুপুরের পর থেকে দিলীপকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। মালিক তড়িঘড়ি কারখানায় গিয়ে দেখেন, সেখানে কেউ নেই। সোনা গায়েব। কারখানায় থাকা নগদ টাকাও উধাও। এরপর বিপুল কর্মকারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে মুচিপাড়া থানার পুলিস। তারপর মাসখানেক কেটে গেলেও অভিযুক্তের খোঁজ পাচ্ছিলেন না তদন্তকারীরা। শেষমেশ এই তদন্তের দায়িত্ব পায় লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা সূত্র হিসেবে পেয়েছিলেন শুধু দিলীপের মোবাইল নম্বরটি। সেই মোবাইল বন্ধ থাকায় লোকেশন ট্র্যাক করার উপায় ছিল না। ফোনের আইএমইআই নম্বরের সূত্র ধরে কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে যান গোয়েন্দারা। সেখানে গিয়ে তাঁরা অভিযুক্তের সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করেন। কোনওভাবে সেই খবর পৌঁছে যায় দিলীপের কানে। সঙ্গে সঙ্গে সে পুলিসের নজর এড়াতে টাকা ও সোনা বগলদাবা করে চলে যায় স্থানীয় এক প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা-২’ দেখতে। টিকিট কেটেছিল অনলাইনে। সেটাই কাল হল। যুবকের মোবাইল থেকে অনলাইনে টাকা লেনদেন হতেই নোটিফিকেশন চলে আসে তদন্তকারীদের কাছে। লোকেশন ট্র্যাক করতেই বেরিয়ে আসে সিনেমা হলের ঠিকানা। এরপর প্রেক্ষাগৃহের অফিসে গিয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেন তাঁরা। সিনেমা চলাকালীন সটান হলে ঢুকে অভিযুক্তকে বমাল গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দারা।
২৩ অক্টোবর ভরসন্ধ্যায় মুচিপাড়া থানার দ্বারস্থ হন এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। নাম বিপুল কর্মকার। তাঁর অভিযোগ, তাঁর কারখানার এক কর্মচারী দিলীপ মোদক সোনা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, খোয়া যাওয়া সোনার ওজন ৪৪১ গ্রাম। তা দিয়ে বালা ও কানের দুল তৈরির কথা ছিল। ওই গয়না বানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দিলীপকে। ঘটনার দিন দুপুরের পর থেকে দিলীপকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। মালিক তড়িঘড়ি কারখানায় গিয়ে দেখেন, সেখানে কেউ নেই। সোনা গায়েব। কারখানায় থাকা নগদ টাকাও উধাও। এরপর বিপুল কর্মকারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে মুচিপাড়া থানার পুলিস। তারপর মাসখানেক কেটে গেলেও অভিযুক্তের খোঁজ পাচ্ছিলেন না তদন্তকারীরা। শেষমেশ এই তদন্তের দায়িত্ব পায় লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা সূত্র হিসেবে পেয়েছিলেন শুধু দিলীপের মোবাইল নম্বরটি। সেই মোবাইল বন্ধ থাকায় লোকেশন ট্র্যাক করার উপায় ছিল না। ফোনের আইএমইআই নম্বরের সূত্র ধরে কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে যান গোয়েন্দারা। সেখানে গিয়ে তাঁরা অভিযুক্তের সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করেন। কোনওভাবে সেই খবর পৌঁছে যায় দিলীপের কানে। সঙ্গে সঙ্গে সে পুলিসের নজর এড়াতে টাকা ও সোনা বগলদাবা করে চলে যায় স্থানীয় এক প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা-২’ দেখতে। টিকিট কেটেছিল অনলাইনে। সেটাই কাল হল। যুবকের মোবাইল থেকে অনলাইনে টাকা লেনদেন হতেই নোটিফিকেশন চলে আসে তদন্তকারীদের কাছে। লোকেশন ট্র্যাক করতেই বেরিয়ে আসে সিনেমা হলের ঠিকানা। এরপর প্রেক্ষাগৃহের অফিসে গিয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেন তাঁরা। সিনেমা চলাকালীন সটান হলে ঢুকে অভিযুক্তকে বমাল গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দারা।



