


ভুবনেশ্বর: গন্তব্য ওড়িশার নবরংপুর। ভুবনেশ্বর থেকে রওনা দিয়েছিল যাত্রীবাহী বাস। মাঝপথে শনিবার ভোররাতে সবাই তখন গভীর ঘুমে। রামভদ্রপুরমের কাছে আচমকা বাসের পিছনের টায়ার ফেটে আগুন লেগে যায়। বাসের অন্যান্য অংশেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে অল্পের জন্য বড়োসড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বাসের ৩৭ যাত্রী। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ওড়িশার কংগ্রেস বিধায়ক মঙ্গু খিলাও।
বিকট শব্দে টায়ার ফেটে বাসটিতে আগুন লেগে যায়। ছুটে আসেন স্থানীয়রা। পুলিশ ও দমকলকেও খবর দেওয়া হয়। ততক্ষণে চালকের তৎপরতায় যাত্রীদের বাস থেকে বের করে আনা হয়। দমকলের বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু কাঠামো ছাড়া বাসের বাকি অংশ ছাই হয়ে গিয়েছে।
এনিয়ে মালকানগিরি জেলার চিত্রাকোণ্ডা বিধানসভার বিধায়ক মঙ্গু খিলার বলেন, ‘সবাই তখন গভীর ঘুমে। আচমকা আগুন লেগে যায়। তবে চালকের উপস্থিত বুদ্ধির জেরে সকলে বেঁচে গিয়েছেন। তড়িঘড়ি বাস থামিয়ে সমস্ত দরজা-জানালা খুলে দেন তিনি। আর তাতেই বিপদ এড়ানো গিয়েছে।’ ভুবনেশ্বরের রসুলগড় থেকে বাসে উঠেছিলেন বিধায়ক। গন্তব্য ছিল মালকানগিরি। প্রসঙ্গত, গতবছর অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে বাসে আগুন লেগে মোট ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।