সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: শাশুড়ি–বউমা দ্বন্দ্ব। এবার এই বিবাদ ঘিরে কার্যত রক্তারক্তি কাণ্ড ময়নাগুড়ি ব্লকের রামশাই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাউয়াগাব গ্রামে। ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ। গুরুতর জখম হয়ে জলপাইগুড়ির সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি বউমা। জখম তার স্বামীও। অপরদিকে, শাশুড়ির দু’হাতে কোপ মারার অভিযোগ উঠেছে ছেলে এবং বউমার বিরুদ্ধে। তিনিও জখম। ঘরোয়া কোন্দল কার্যত এহেন রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবে তা স্থানীয়রা আন্দাজ করতে পারেননি। সোমবার দুই পক্ষই ময়নাগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
Advertisement
অভিযোগ, সোমবার হঠাৎই সৎ ছেলে শ্যামল রায় ও পূত্রবধূ ডলি তুলসী রায়ের বাড়িতে প্রবেশ করে। ধারালো অস্ত্র নিয়ে শাশুড়ি তুলসীর হাতে কোপ মারে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্ত্রীর চিৎকার শুনে তুলসী রায়ের স্বামী বিশ্বনাথ রায় বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
জখম তুলসী রায় বলেন, আমার সৎ ছেলে দীর্ঘ বছর ধরে বিরূপ আচরণ করছে। আমাদের বাড়িতে কল বসানো নিয়ে ওদের আপত্তি। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়েছে আমাকে। দুজনের কঠোর শাস্তি চাই। অপরদিকে ছেলে শ্যামল রায় বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সাজানো ঘটনা। আমার স্ত্রীর আঙুল কেটে ফেলেছে। আমার হাতে কোপ মারা হয়েছে। সোমবার সকালে আমার স্ত্রী যখন কাজ করছিল, সেই সময় মা আমাদের বাড়িতে এসে ঝামেলা করে। পরবর্তীতে বাবা স্ত্রীকে তাদের বাড়িতে ডেকেছিল। সেই সময় মা হামলা চালায়। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, একজনকে আটক করা হয়েছে।
জখম তুলসী রায় বলেন, আমার সৎ ছেলে দীর্ঘ বছর ধরে বিরূপ আচরণ করছে। আমাদের বাড়িতে কল বসানো নিয়ে ওদের আপত্তি। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়েছে আমাকে। দুজনের কঠোর শাস্তি চাই। অপরদিকে ছেলে শ্যামল রায় বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সাজানো ঘটনা। আমার স্ত্রীর আঙুল কেটে ফেলেছে। আমার হাতে কোপ মারা হয়েছে। সোমবার সকালে আমার স্ত্রী যখন কাজ করছিল, সেই সময় মা আমাদের বাড়িতে এসে ঝামেলা করে। পরবর্তীতে বাবা স্ত্রীকে তাদের বাড়িতে ডেকেছিল। সেই সময় মা হামলা চালায়। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, একজনকে আটক করা হয়েছে।



